logo
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সিলেট
  • প্রবাসে প্রতিদিন
  • রাজনীতি
  • কলাম
  • সারা দেশ
  • সাহিত্য
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • আরও
    • শিক্ষাঙ্গন
    • English Section
    • আইন-আদালত
    • অর্থ ও বাণিজ্য
    • সাক্ষাৎকার
    • সম্পাদকীয়
    • Board of Managements
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • প্রবাসে প্রতিদিন
  • সিলেট
  • সারা দেশ
  • কলাম
  • English Section
  • অর্থ ও বাণিজ্য
  • আইন-আদালত
  • সাহিত্য
  • সম্পাদকীয়
  • শিক্ষাঙ্গন
  • সাক্ষাৎকার
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • Board of Managements
  1. প্রচ্ছদ
  2. সাহিত্য
  3. গ্রন্থালোচনাঃ স্বাধীনতাযুদ্ধে খেতারপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা – ফারুক আহমদ

গ্রন্থালোচনাঃ স্বাধীনতাযুদ্ধে খেতারপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা – ফারুক আহমদ


প্রকাশিত হয়েছে : ৯:২৮:১৪,অপরাহ্ন ১৭ জানুয়ারি ২০২১ | সংবাদটি ৮২০ বার পঠিত

স্বাধীনতাযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা বইটি পেয়ে কবি রফিক আজাদের, ‘যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশ’ কবিতার কয়েকটি লাইন বড় বেশী মনে পড়ল:

একে একে নিহত সবাই-
স্বাধীনতা যুদ্ধের সৈনিক বীরোত্তম; কেউ কেউ বিতাড়িত
স্বদেশ ভূমি থেকে
কেউবা আবার স্বেচ্ছা নির্বাসনে-
একাত্তরের পরাজিত শত্রুরা সবাই
ক্ষমতার বারান্দায়, সারি বেধে হাসি মুখে
দাঁড়িয়ে রয়েছেন।
এই স্বাধীনতা, এইতো আমার প্রিয় জন্মভূমি’।

১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট থেকে ১৯৯০ সালের ৪ঠা ডিসেম্বর। এই সময়ের পুরো ইতিহাস কবি রফিক আজাদ তাঁর ‘যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশ’ কবিতার মাত্র ৭টি লাইনে হুবহু তুলে ধরেছেন। কিন্তু কবির জন্মভূমি একাত্তরের পরাজিত শক্তির রাহুগ্রাসে খুব বেশী দিন থাকেনি। একে একে ক্ষমতার বারান্দায় যেভাবে সারি বেধে হাসিমুখে দাঁড়িয়েছিলেন, ঠিক একইভাবে সারি বেধে ফাঁসিকাষ্ঠেও ঝুলেছেন, ঝুলছেন। অনেকে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে, কেউবা স্বাধীনতাযুদ্ধের সৈনিকদের মতো স্বদেশ ভূমি ছেড়ে স্বেচ্ছা নির্বাসনে।

প্রচলিত কথা হচ্ছে, ইতিহাসের চাকা কোনোদিন থেমে থাকে না। সে তার আপন কক্ষপথে ঘুরতে আছে, ঘুরবে অনাগত কাল পর্যন্ত। যে কোনো জাতীর জীবনে উত্থান-পতন আছে, জয়-পরাজয় থাকে। এইগুলো থেকে শিক্ষা না নিলে জাতীয়ভাবে বিপর্যয় আসে। উত্থান-পতনের এই দিনলিপি ইতিহাসে মোটা দাগে চিহ্নিত থাকে। বাংলার ইতিহাসে, বাঙালির ইতিহাসে এই দাগগুলোই ১৭৫৭, ১৯৪৭, ১৯৫২ ও ১৯৭১ সাল। ইত্যাদি ইত্যাদি। আমাদের পূর্বসূরিরা এই দাগগুলো অনুসরণ করেই সামনের দিকে হেঁটেছেন। আমরাও এই দাগগুলো ধরেই ইতিহাসের পথে হেঁটেছি, হাঁটছি। আমাদের উত্তরসূরি, ভাবীকালের মানুষেরাও সে পথে অগ্রসর হবেন। তারাও আমাদের মতো তাকিয়ে দেখবেন জাতীয়-জীবনের উত্থান-পতনের রক্তাক্ত দৃশ্যগুলো। চিহ্নিত করবেন, নব্য মীর জাফর, রায় দুর্লভ, উমিচাঁদ জগৎ শেটদের। যে কোনো পথোন্মুখ কালে তারাও আবার স্বাধীনতার চেতনায় জেগে উঠবেন। পূর্বসূরিদের মতো জীবন বাজী রেখে লড়াই করে মা, মাটি আর মানুষের জন্য কাজ করবেন। সেজন্য এই ধরণের গ্রন্থ তাদের সামনে আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করবে, প্রেরণা যোগাবে। উজ্জীবিত করবে এই জাতীয় বীরদের মতো আত্মত্যাগের দৃষ্টান্তই স্থাপন করতে, আরেকটি ইতিহাস গড়তে, ইতিহাস রচনা করতে।

বঙ্গবন্ধু তাঁর ৭ মার্চের ভাষণে বলেছিলেন, ‘কেউ আমাদের দাবিয়ে রাখতে পারবে না’। ইতিহাস প্রমাণ দিচ্ছে একাত্তরে পাকিস্তানিরা পারেনি, ১৯৭৫ সালের ১৫ই অগাস্টের নরঘাতকরাও পারে নি।

আমরা ইতিহাস ও পুরাণে খলনায়কদের পতনদৃশ্য যেমন পড়েছি, তেমনি বাংলার সমকালীন ইতিহাসে আমরাও তাঁদের পতন দৃশ্যও দেখেছি। দেখেছি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাঙালি জাতি আবারও জেগে উঠতে।

লেখক আনোয়ার শাহজাহানের, ‘স্বাধীনতাযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা’ গ্রন্থটি বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ সময়ের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের নিয়ে লেখা ইতিহাসের একটি অধ্যায়। যে অধ্যায় আমাদেরকে সেই একাত্তরে নিয়ে যায়। এই গ্রন্থপাঠে আমরা শুধু ‘স্বাধীনতাযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা’দের শুধু পরিচিতিই জানবো না, একইসঙ্গে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের কোথায়, কখন কী ঘটেছিল তারও অনেক অজানা এবং নিখাদ বিবরণ পাবো। যে বিবরণ সাধারণ ইতিহাসে কোনোভাবেই পাওয়া সম্ভব নয়। সেজন্য লেখক অতি অবশ্যই ধন্যবাদ পাবার যোগ্য।

সুখের কথা যে, এদেরকে পদক প্রদানের কারণেই তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে অনুসন্ধানী মানুষের আগ্রহ বাড়ে। তারা আমাদের জাতীয় বীরদের সম্পর্ক খোঁজ-খবর নিয়ে তাদের বীরত্বগাঁথা বের করে নিয়ে আসেন। এই অনুসন্ধানী মানুষের একজন আনোয়ার শাহজাহান। এখন থেকে অনাগত কাল পর্যন্ত এই সকল মানুষের এক একজনের সংক্ষিপ্ত বীরত্বগাঁথা থেকে রচিত হবে পূর্ণাঙ্গ আত্মজীবনী, কালজয়ী কবিতা, গান, গল্প, উপন্যাস, চলচ্চিত্র তা বলাই বাহুল্য।

এই ধরনের পরিচিতিমূলক গ্রন্থালোচনায় চুলচেরা বিচার-বিশ্লেষণের সুযোগ কম। তার ওপর স্বয়ং লেখকই যদি হন পরবাসী তা হলে তাকে বিনা বাক্য ব্যয়ে সাধুবাদ জানানো উত্তম বলেই আমি মনে করি। কারণ, এই বইটি লিখে এটাকে ওপরে উঠার সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার করবেন না। এটা তার ব্যবসাও নয়। আমি নিজে কাছে থেকে দেখেছি এই গ্রন্থের তথ্যসংগ্রহের জন্য তিনি কত পরিশ্রম করেছেন, কতবার দেশে গেছেন এবং সর্বোপরি তথ্যসংগ্রহের জন্য কত টাকার শ্রাদ্ধ করেছেন।

পদকপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে এ ধরণের আরও দুই-তিনটি বই লেখা হয়েছে। তবে লেখার গুণগত মান এবং তথ্যের দিক থেকে এটি আমার কাছে অনেক উন্নত প্রথম সারির একটি গ্রন্থ বলেই মনে হয়েছে।

ইতিহাস পাঠকরা এই গ্রন্থটি পড়ে যেমন আনন্দ পাওয়া যাবে, মুক্তিযুদ্ধের আদি ও আসল অনেক ঘটনা জানা যাবে, তেমনি প্রায় প্রত্যেকটি রণাঙ্গনের বীরত্বপূর্ণ কাহিনী জানা যাবে। আনোয়ার শাহজাহান একাত্তরের প্রজন্ম। তিনি মুক্তিযুদ্ধ দেখেননি। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের রক্তক্ষরণ দেখেছেন, স্বৈরশাসকদের গণতন্ত্র দলন দেখেছেন। দেখেছেন, ক্ষমতায় থাকার জন্য স্বৈরশাসকদের অত্যাচার, উৎপীড়ন আর নানা ছলচাতুরী। দেখেছেন রাজপথে গণতন্ত্রকামী মানুষের বুলেটবিদ্ধ লাশ। এইসকল ঘটনাপ্রবাহ দেখেশুনেই তিনি এই বিষয়টি বেছে নিয়ে বই লিখতে উদ্বুদ্ধ হয়েছেন। আগেই বলেছি, তিনি প্রবাসে থাকেন। বই লিখে টাকা আয় করা তাঁর উদ্দেশ্য নয়, বরং দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের কথা তুলে ধরতে টাকার শ্রাদ্ধ করাতেই তার আনন্দ।

লেখক আনোয়ার শাহজাহান এই সকল পদকপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সংক্ষিপ্ত জীবন কাহিনী নিয়ে দুইখণ্ডে প্রকাশ করেছেন, ‘স্বাধীনতাযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা’।

প্রথম খন্ড ৩১০ পৃষ্ঠার ঝকঝকে ছাপা, উন্নত বাধাই সম্বলিত এই দৃষ্টিনন্দন বইটির মূল্য রাখা হয়েছে ছয়শ টাকা। উৎসর্গ করা হয়েছে ‘স্বাধীনতাযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদেরকে’। গ্রন্থটি চমৎকার ভূমিকা লিখেছেন, মেজর জেনারেল (অব.) আজিজুর রহমান, বীর-উত্তম। ভূমিকাটি পড়ে মনে হয়েছে এটি গ্রন্থটির মর্যাদা অনেকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। ভূমিকায় যেমন সামনের দিকে এগিয়ে চলার অনুপ্রেরণা আছে, তেমনি আছে অনুসূচনা, আত্মসমালোচনা এবং অকপটে নিজেদের ব্যর্থতার কথাও। তারপর আছে অন্ধকারে আলোর-ঝিলিকের মতো, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আবারও বাংলাদেশ যে এগিয়ে যাচ্ছে সেকথাটিও। ব্যাক-কাভারে আছে, মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার কে এম সফিউল্লাহ, বীরউত্তমের কথাও।

‘স্বাধীনতাযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা’ গ্রন্থমালার প্রথমখণ্ড। এতে বীরশ্রেষ্ঠ, বীর-উত্তম ও বীরবিক্রম এই তিনটি অধ্যায়ে মোট ২৭৫ জনের মধ্যে ২৬৬ জন মুক্তিযোদ্ধার পরিচিতি স্থান পেয়েছে। ৭ জন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করতে না পারায় সংক্ষিপ্তভাবে পরিশিষ্টে তাঁদের কয়েক লাইনে দেয়া হয়েছে। এছাড়াও পরিশিষ্টে বীরপ্রতিক মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা, যাঁরা দুটি করে খেতাব পেয়েছেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় সংকেতগুলোর বিশ্লেষণ, বাংলাদেশের মুক্তিবাহিনী, স্বাধীনতাযুদ্ধের সেক্টরসমূহ ও সহায়ক গ্রন্থ তালিকা ও নির্ঘণ্ট দেয়া আছে।

দ্বিতীয় খন্ডের ভূমিকায় মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার মেজর জেনারেল (অব.) সি আর দত্ত, ‘বীর উত্তম লিখেছেন, আনোয়ার শাহজাহানের এ প্রয়াস নিঃসন্দেজে ধন্যবাদার্য। মৃত্যুর কাছে তিনি হয়তো কোনো এক দিন পরাজিত হবেন। কিন্তু জীবনযুদ্ধে তিনি হবেন জয়ী। কেননা, এ গ্রন্থ তাকে চিরকাল বাঁচিয়ে রাখবে। আসলেই তা’ই। এ গ্রন্থটি অবশ্যই আনোয়ার শাহাজানকে বাঁচিয়ে রাখবে অনাগত কাল পর্যন্ত।’

অনন্ত আকাশের সুন্দর প্রচ্ছদে ঝকঝকে ছাপা, উন্নত বাঁধাই করা প্রায় নির্ভুল বইটি প্রকাশ করেছেন, বইপত্র, ঢাকা। ৪৪৬ পৃষ্ঠার বইটির মূল্য ৭০০ টাকা। উৎসর্গ করা হয়েছে স্বাধীনতাযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সদস্যদেরকে।

৪২৬ জন বীর প্রতীক মুক্তিযোদ্বাদের মধ্যে ৩৮৮ জন মুক্তিযোদ্ধার পরিচিতি স্থান পেয়েছে। ৩৮ জন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করতে না পারায় সংক্ষিপ্তভাবে পরিশিষ্টে তাঁদের কয়েক লাইনে দেয়া হয়েছে। এছাড়াও পরিশিষ্টে বীর শ্রেষ্ঠ, বীর-উত্তম উত্তম এবং বীর বিক্রম মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা, যাঁরা দুটি করে খেতাব পেয়েছেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় সংকেতগুলোর বিশ্লেষণ, বাংলাদেশের মুক্তিবাহিনী, স্বাধীনতাযুদ্ধের সেক্টরসমূহ ও সহায়ক গ্রন্থ তালিকা ও নির্ঘণ্ট দেয়া আছে।

গ্রন্থটি আমাদের জাতীয় বীরদেরকে জানার জন্য, জানানোর জন্য সংগ্রহে রাখার মতো আমি বইটির বহুল প্রচার কামনা করি।

এই গ্রন্থটি সম্পর্কে ঠিক এইকথাগুলোই বলা চলে। এই গ্রন্থেরও ছোটখাটো অপূর্ণতা আছে, থাকবে। কারণ, ইতিহাসে বড়জোর অন্যান্য যতিচিহ্নের ব্যবহার করা যায় কিন্তু কখনো পূর্ণচ্ছেদ ব্যবহার করা যায়।পরিশেষে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার ভাষায় বলতে চাই:

রাখো নিন্দাবাণী, রাখো আপন সাধুত্ব অভিমান,
শুধু একমনে হও পার
এ প্রলয় পারাবার
নতুন সৃষ্টির উপকূলে
নতুন বিজয়ধ্বজা তুলে।

আমি বইটির বহুল প্রচার কামনা করছি।
————————————————————
– ফারুক আহমদ (লন্ডন)।

সাহিত্য এর আরও খবর
হাজী আব্দুস শহীদ মহিলা আলীম মাদ্রাসার বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন

হাজী আব্দুস শহীদ মহিলা আলীম মাদ্রাসার বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন

ফোবানা স্কলারশীপ এর জন্য আবেদন আহবান

ফোবানা স্কলারশীপ এর জন্য আবেদন আহবান

কবি জিন্নাহ চৌধুরী’র সাথে ‘কবিতা স্বজন’র উদ্যগে সাহিত্য আড্ডা অনুষ্টিত

কবি জিন্নাহ চৌধুরী’র সাথে ‘কবিতা স্বজন’র উদ্যগে সাহিত্য আড্ডা অনুষ্টিত

লন্ডনে ‘স্ব-চিন্তা’ মোড়ক উন্মোচন ও লেখক মোহাম্মদ নওয়াব আলীর সাথে মতবিনিময় সভা

লন্ডনে ‘স্ব-চিন্তা’ মোড়ক উন্মোচন ও লেখক মোহাম্মদ নওয়াব আলীর সাথে মতবিনিময় সভা

একজন আনোয়ার শাহজাহান  – শায়খ শফিকুর রহমান আল মাদানী

একজন আনোয়ার শাহজাহান – শায়খ শফিকুর রহমান আল মাদানী

সৃজনে ভাস্বর আনোয়ার শাহজাহান  – কালাম আজাদ

সৃজনে ভাস্বর আনোয়ার শাহজাহান – কালাম আজাদ

সর্বশেষ সংবাদ
৭ ম এশিয়ান ফেস্টিভ্যাল ২ ও ৩ মে ওরলান্ডোতে
৭ ম এশিয়ান ফেস্টিভ্যাল ২ ও ৩ মে ওরলান্ডোতে
ওরলান্ডোতে ১ ম বারের মত ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত
ওরলান্ডোতে ১ ম বারের মত ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত
৩০ তম এশিয়ান এক্সপোর চেয়ারম্যান এস আই জুয়েল ও কনভেনর তামান্না আহমদ
৩০ তম এশিয়ান এক্সপোর চেয়ারম্যান এস আই জুয়েল ও কনভেনর তামান্না আহমদ
ওরলান্ডোতে ১ ম ওয়াজ মাহফিল ৭ ই ফেব্রুয়ারী
ওরলান্ডোতে ১ ম ওয়াজ মাহফিল ৭ ই ফেব্রুয়ারী
ওরলান্ডোতে স্পোর্টস ক্লাবের ব্যাডমিন্টন টু্র্নামেন্ট সম্পন্ন
ওরলান্ডোতে স্পোর্টস ক্লাবের ব্যাডমিন্টন টু্র্নামেন্ট সম্পন্ন
২৪ জানুয়ারী স্পোর্টস ক্লাবের ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট
২৪ জানুয়ারী স্পোর্টস ক্লাবের ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট
ঢাকায় ৪০ তম ফোবানার মিট দ্যা প্রেস অনুষ্ঠিত
ঢাকায় ৪০ তম ফোবানার মিট দ্যা প্রেস অনুষ্ঠিত
রাষ্ট্রীয় সম্মাননায় ভূষিত ইতিহাসসন্ধানী লেখক ফারুক আহমদ
রাষ্ট্রীয় সম্মাননায় ভূষিত ইতিহাসসন্ধানী লেখক ফারুক আহমদ
প্রবাসী সম্মাননা ২০২৫- পাচ্ছেন লেখক সাংবাদিক আনোয়ার শাহজাহান
প্রবাসী সম্মাননা ২০২৫- পাচ্ছেন লেখক সাংবাদিক আনোয়ার শাহজাহান
আরেফিন বাবুল – শান্ত এর নেতৃত্বে জর্জিয়া এসোসিয়েশন
আরেফিন বাবুল – শান্ত এর নেতৃত্বে জর্জিয়া এসোসিয়েশন
২৭ নভেম্বর ওরলান্ডোতে স্পোর্টস  ক্লাবের ফ্যামিলী পিকনিক
২৭ নভেম্বর ওরলান্ডোতে স্পোর্টস ক্লাবের ফ্যামিলী পিকনিক
৪০ তম লস এনজেলস ফোবানা হিলটন ইউনিভার্সেল সিটিতে
৪০ তম লস এনজেলস ফোবানা হিলটন ইউনিভার্সেল সিটিতে
বাঘা ইউনিয়নের উন্নয়নে নতুন দিগন্ত: তিন কোটি টাকার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণে অগ্রগতি
বাঘা ইউনিয়নের উন্নয়নে নতুন দিগন্ত: তিন কোটি টাকার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণে অগ্রগতি
ফোবানার ৪০ তম আসর লস এনজেলসে
ফোবানার ৪০ তম আসর লস এনজেলসে
যুক্তরাজ্যে গোলাপগঞ্জের কৃতী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা জানাবে গোলাপগঞ্জ উপজেলা সোশ্যাল ট্রাস্ট
যুক্তরাজ্যে গোলাপগঞ্জের কৃতী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা জানাবে গোলাপগঞ্জ উপজেলা সোশ্যাল ট্রাস্ট
৭ ম ওয়ার্ল্ড ফেস্ট টেম্পায় ২০২৬ এর অক্টোবরে
৭ ম ওয়ার্ল্ড ফেস্ট টেম্পায় ২০২৬ এর অক্টোবরে
ফোবানার চেয়ারম্যান বেলাল, সেক্রেটারী খালেদ
ফোবানার চেয়ারম্যান বেলাল, সেক্রেটারী খালেদ
২০২৭ সালের ৪১ তম ফোবানা  হিউস্টনে
২০২৭ সালের ৪১ তম ফোবানা হিউস্টনে
ফোবানা আমার কাছে একটা অনুভূতির নাম- জসিম উদ্দিন
ফোবানা আমার কাছে একটা অনুভূতির নাম- জসিম উদ্দিন
আটলান্টা ফোবানায় দর্শকদের  জোয়াড়, রোববার ১ টায় শো শুরু 
আটলান্টা ফোবানায় দর্শকদের  জোয়াড়, রোববার ১ টায় শো শুরু 
© 2010-2026 AmaderProtidin.com
All Rights Reserved
Editor & Publisher: Anwar Shahjahan
AmaderProtidin.com, a Trading name of Sha Capital Ltd.
Company registration No 12214710
Address: Abdul Mutlib Complex (3rd floor), Golapganj Municipality, District Sylhet Mob: 01723 655894
Email: amaderprotidinnews@gmail.com
Go to top