ক্রিমিয়াকে ইউক্রেনে ফিরিয়ে দিতে হবে
প্রকাশিত হয়েছে : ৭:৪৭:৫৫,অপরাহ্ন ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ | সংবাদটি ৯৫৪ বার পঠিত
রাশিয়া যতদিন না ক্রিমিয়া অঞ্চল ইউক্রেনের হাতে ফেরত দিচ্ছে, ততদিন দেশটির ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে না। গত বৃহস্পতিবার জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিনদূত এভাবেই হুঁশিয়ারি দেন ক্রেমলিনকে। এদিন ইউক্রেন সংকটকে কেন্দ্র করে রাশিয়ার তীব্র নিন্দা জানানোর মধ্য দিয়েই জাতিসংঘে দায়িত্ব পালন শুরু হলো নবনিযুক্ত মার্কিন দূত নিক্কি হ্যালির। খবর এএফপি, বিবিসি, সিএনএন ও ইউএস টুডের।
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে প্রথমবারের মতো বক্তব্যে হ্যালি পূর্ব ইউক্রেনে চলমান সহিংসতা বন্ধ করতে ও ক্রিমিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহারে মস্কোর প্রতি জোর আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র দ্রুত ক্রিমিয়ায় রুশ আগ্রাসনের অবসান চায়। ট্রাম্প প্রশাসনের মতে, ক্রিমিয়া ইউক্রেনের অংশ। যতদিন পর্যন্ত এ ভূখ ইউক্রেনের কাছে হন্তান্তর না হচ্ছে, স্থায়ী শান্তি না আসছে, ততদিন পর্যন্ত মস্কোর ওপর থেকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে না।
এদিকে হ্যালি যখন নিরাপত্তা পরিষদে বক্তব্য রাখছিলেন, তখনও রক্তাক্ত হচ্ছিল পূর্ব ইউক্রেন। সম্প্রতি এখানে রুশপন্থি বিদ্রোহীদের সঙ্গে দেশটির সেনাবাহিনীর সংঘর্ষের ঘটনা বেড়ে গেছে। এ বিষয় নিয়েই আয়োজিত জরুরি বৈঠকে বক্তব্য দেন হ্যালি।
সবশেষ বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয় আভদিভকা শহরে সংঘটিত সংঘর্ষে দুজন বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হন। এ নিয়ে গত এক সপ্তাহে রুশপন্থি বিদ্রোহী ও ইউক্রেন বাহিনীর সংঘাতে এ অঞ্চলে মারা গেলেন অন্তত ১৫ জন বেসামরিক ব্যক্তি।
রাশিয়ার ওপর ওবামার জারি করা কিছু নিষেধাজ্ঞা বাতিল করলেন ট্রাম্প : যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনকে প্রভাবিত করার অভিযোগে রাশিয়ার ওপর জারি করা সদ্য বিদায়ী ওবামা প্রশাসনের কয়েকটি অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। বৃহস্পতিবার দেশটির ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট রাশিয়ার ফেডারেল সিকিউরিটি সার্ভিসকে সাইবার সিকিউরিটিবিষয়ক কয়েকটি লেনদেনের অনুমতি দেয়। তবে ট্রাম্প প্রশাসন একে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার মনে করছে না। এদিকে এখনও এ নিয়ে রুশ প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র শন স্পাইসার জানান, এর ফলে রাশিয়ার প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নীতির কোনো পরিবর্তন ঘটছে না। এটা নিয়মিত কাজের অংশ।
বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ওবামা প্রশাসনের জারি করা এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় রাশিয়ার সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা এফএসবির আর্থিক লেনদেন নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।