অমর একুশে বইমেলা ২০১৭ : তিন প্রকাশকের জবানবন্দি
প্রকাশিত হয়েছে : ৪:৪৯:৫৩,অপরাহ্ন ২৬ জানুয়ারি ২০১৭ | সংবাদটি ৭১১ বার পঠিত
সিপাত বিনতে ইসলাম ।।
আসন্ন অমর একুশে বইমেলা উপলক্ষে প্রকাশকদের প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। প্রেসগুলোতে বইয়ের প্রিন্টিং শেষে চলছে বাঁধাইয়ের কাজ। প্রকাশকরা রাত-দিন ব্যস্ত সময় পার করছেন। ব্যস্ততার মাঝেও শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিয়ে কথা হয় দেশের তিনটি নামকরা প্রকাশনা সংস্থার স্বত্বাধিকারীর সঙ্গে।
মনিরুল হক
স্বত্বাধিকারী, অনন্যা প্রকাশনী
মেলার প্রস্তুতি কেমন চলছে?
প্রায় শেষ দিকে। ভালোই।
কয়টি বই প্রকাশ করছেন?
৭০টির মতো।
প্রকাশনার ক্ষেত্রে কোন ধরনের বইকে গুরুত্ব দিচ্ছেন?
সব ধরনের বই-ই প্রকাশ করে থাকি। ভালো গল্প, উপন্যাস, কবিতা, প্রবন্ধ, ইতিহাসভিত্তিক ও গবেষণামূলক বইকে বেশি প্রাধান্য দেই।
নতুন লেখকদের বই প্রমোটে কোনো উদ্যোগ নিচ্ছেন কি?
নতুন লেখকদের ৫-৬টি বই প্রকাশ করছি।
বিগত বছরগুলোয় মেলার অব্যবস্থাপনা নিয়ে কোনো অভিযোগ বা পরামর্শ সুপারিশ আছে কি?
মেলার পরিসর বাড়ানোর জন্য মেলাকে বাংলা একাডেমি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান- এই দুই স্থানে বিভক্ত করা হয়েছে। এতে মানুষের বিভ্রান্তি বেড়েছে। এ বিভ্রান্তি দূর করতে সোহরাওয়ার্দীর অংশটিতে শুধু শিশুদের বইয়ের স্টল করা যেতে পারে।
ফরিদ আহমেদ
স্বত্বাধিকারী, সময় প্রকাশনী
মেলার প্রস্তুতি কেমন চলছে?
এই তো চলছে।
কয়টি বই প্রকাশ করছেন?
৫০টির বেশি তো হবেই।
প্রকাশনার ক্ষেত্রে কোন ধরণের বইকে গুরুত্ব দিচ্ছেন?
বরাবরের মতোই সৃজনশীল উপন্যাস, প্রবন্ধ, গবেষণামূলক এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বইকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছি।
নতুন লেখকদের বই প্রমোটে কোনো উদ্যোগ নিচ্ছেন কি?
আমাদের প্রকাশনার ১০% নতুন লেখকদের বই থাকে, এবারও তাই থাকছে।
বিগত বছরগুলোয় মেলার অব্যবস্থাপনা নিয়ে কোনো অভিযোগ বা সুপারিশ আছে কি?
মেলা শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত এ প্রসঙ্গে বলতে পারছি না। যে কোনো সমস্যায় সবার সন্মিলিত প্রচেষ্টায় উত্তরণ সম্ভব।
শাহাদাত হোসেন
স্বত্বাধিকারী, অন্বেষা প্রকাশন
মেলার প্রস্তুতি কেমন চলছে?
সময়মতো মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে তাই প্রস্তুতিও ভালো।
কয়টি বই প্রকাশ করছেন?
বরাবরের মতোই, ৫০টি।
প্রকাশনার ক্ষেত্রে কোন ধরনের বইকে গুরুত্ব দিচ্ছেন?
গল্প, উপন্যাস- এগুলো পাঠক বেশি পছন্দ করে। এছাড়া গবেষণামূলক বই, অনুবাদ সাহিত্য তো থাকছেই।
নতুন লেখকদের বই প্রমোটে কোনো উদ্যোগ নিচ্ছেন কি?
এটা সম্ভব হয় না। নতুনদের বইয়ের পাঠক চাহিদা কম, এতে প্রকাশকরা ক্ষতিগ্রস্ত হন।
বিগত বছরগুলোয় মেলার অব্যবস্থাপনা নিয়ে কোনো অভিযোগ বা সুপারিশ আছে কি?
মেলার পরিসর বড় হয়েছে, এটা আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। তবে গতবার মেলার ভেতরের রাস্তা ভালো ছিল না ফলে দর্শনার্থীদের যাতায়াতে অসুবিধা হয়েছে। এবার যেন সে সমস্যার সমাধান করা যায়, আমরা ইতোমধ্যে বাংলা একাডেমির কাছে সে সুপারিশ করেছি।