বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণ মওকুফের ক্ষমতাকে কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কোন কোন প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তির ঋণ মওকুফ করা হয়েছে তার একটি তালিকা আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে।

আগামী ৩০ দিনের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনরকে এই তালিকা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। এই সব ব্যবসায়ীরা দেশের অন্য কোনো ব্যাংক বা অন্য কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে আর কোনো ঋণ সুবিধা ভোগ করছেন কি না, করে থাকলে কী পরিমাণ ঋণ সুবিধা ভোগ করছেন সেই বিষয়টিও একই সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন আকারে জানতে বলেছেন আদালত।

হাইকোর্টের এক ডিভিশন বেঞ্চ স্ব-প্রণোদিত হয়ে এই আদেশ দিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট কোর্টের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এস এম মনিরুজ্জামান।

তিনি জানান, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি এশিয়ান এজ পত্রিকায় ‘সরকারের কাছ থেকে শতকরা ৬০ ভাগ খেলাপিঋণ দেখিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে ৩০ হাজার কোটি টাকা গায়েব’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এই প্রতিবেদন নজরে নিয়ে আদালত এই রুল জারি করেন।

অর্থ সচিব, সচিব ব্যাংকিং বিভাগ, আইন সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনর, মহাহিসাব নিরিক্ষক, বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং বিভাগের মহা ব্যবস্থাপককে এই রুলের জবাব দিতে বলেছেন আদালত।