নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনে রাষ্ট্রপতি একটি কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, ‘আমরা বরাবরেই ইতিবাচক রাজনীতি করি এবং এই ইতিবাচক রাজনীতির মধ্যে দিয়েই নির্বাচন কমিশন গঠন করার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া একটি সুন্দর প্রস্তাবনা দিয়েছেন। সেই প্রস্তাবনার ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোকে ডেকেছেন, কথা বলেছেন। এখন আমরা আশা করবো রাষ্ট্রপতি সত্যিকার অর্থে একটি নিরপেক্ষ সার্চ কমিটি মাধ্যমে নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন। যা সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন পরিচালনার জন্য যোগ্য হবে।’

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে এসে বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে তিনি এসব কথা বলেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘গণতন্ত্র কখনও ফলপ্রসূ ও কার্যকরী হবে না, যদি রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আলাপ-আলোচনা না থাকে। কারণ একটি সহনশীল সমঝোতার মধ্যে দিয়েই গণতন্ত্র বিকশিত হয়। সেটা রাষ্ট্রপতিও বলেছেন, সেজন্য তাঁকে (রাষ্ট্রপতি) ধন্যবাদ জানাই। পাশাপাশি আমরা আশা করবো রাষ্ট্রপতি ইসি গঠনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।’

তিনি বলেন, ‘যদি নিরপেক্ষ সার্চ কমিটি এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন না হয়, এদেশের মানুষ কখনও তা গ্রহণ করবে না।’

তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক-প্রবক্তা ও আধুনিক বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা। আজ তার ৮১তম জন্মবাষির্কী। এই মহান নেতা যিনি ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষণা দিয়ে সমগ্র জাতিকে স্বাধীনতা যুদ্ধে জাপিয়ে পড়তে অনুপ্রেরণা দিয়েছিলেন। এবং পরবর্তীকালে দেশের প্রতিটি ক্রান্তিলগে যিনি নেতৃত্ব দিয়ে অন্ধকার থেকে দেশকে আলোতে নিয়ে এসেছিলেন। সেই মহান নেতার জন্ম দিনে তারই প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, নেতাকর্মী এবং দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দলের সকলস্তরের নেতাকর্মীদের নিয়ে শ্রদ্ধানিবেদন করবেন। এবং তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘শপথ নিতে এসেছি আজকের এই দিনে জিয়াউর রহমানের যে আর্দশ, যে রাজনৈতিক দর্শন বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ, স্বাধীনতা ও স্বার্বভৌমত্ব রক্ষায় বর্তমানে বাংলাদেশে যে গণতন্ত্রহীনতা চলছে, পদে পদে মানবতা লগ্নিত হচ্ছে এবং গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে সংগ্রাম অব্যাহত রাখবে বিএনপি।’