নতুন নিবার্চন কমিশন (ইসি) গঠনের বিষয়ে বিএনপির সঙ্গে সংলাপের মধ্যদিয়ে আজ শুরু হচ্ছে রাষ্ট্রপতির সংলাপ। বিকেল সাড়ে ৪টায় রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের আমন্ত্রণে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ১৩ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল যাবে বঙ্গভবনে।

প্রথম দফায় রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি ছাড়াও আমন্ত্রন জানিয়েছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জাতীয় পার্টি, কর্ণেল (অব.) ড. অলি আহমদ বীর বিক্রমের লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপি, হাসানুল হক ইনুর জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ, বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তমের কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগকে।

 
২১ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতির সাথে সংলাপের জন্য এলডিপি সভাপতি কর্ণেল (অব.) ড. অলি আহমেদ বীরবিক্রমের স্বাক্ষরিত ১২ সদস্যের প্রতিনিধিদের নামে তালিকা বঙ্গবভনে জমা দিয়েছে দলটি।

রবিবার দুপুরে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে জমা দিয়েছেন।
 

এসময় শাহাদাত হোসেন সেলিম গণমাধ্যমকে জানান, তালিকায় দলের সভাপতি, মহাসচিব, প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রয়েছেন।

তিনি বলেন, এলডিপি ইসি গঠন ও সহায়ক সরকার নিয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেবে রাষ্ট্রপতির কাছে।

 

ইসি গঠনে এই উদ্যোগ নেয়ার জন্য রাষ্ট্রপতিকে দলের পক্ষে ধন্যবাদ জানিয়ে শাহাদাত হোসেন সেলিম আশা প্রকাশ করেন, রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে দেশের সংকটকালে রাষ্ট্রপতি দলের ঊর্ধ্বে উঠে কর্তব্য পালন করবেন। সবার মতামতের ভিত্তিতে একটি নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন গঠন করার মাধ্যমে তিনি তার অবস্থানকে আরো আলোকিত করবেন।

 

সংলাপে তাদের প্রস্তাব সম্পর্কে শাহাদাত হোসেন বলেন, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতে ইসি  গঠন ও নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে প্রস্তাব দেবে এলডিপি। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে গত তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যেসব দল প্রতিনিধিত্ব করেছে এবং নিবন্ধন রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে আনুপাতিক হারে একটি নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের প্রস্তাব করা হবে।

 

উল্লেখ্য, ২০ ডিসেম্বর বিকাল তিনটায় জাতীয় পার্টি, ২১ ডিসেম্বর যথাক্রমে বিকাল তিনটা ও সাড়ে চারটায় লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ এবং ২২ ডিসেম্বর বিকাল তিনটায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সঙ্গেও বৈঠক করবেন।