এবার প্রাণ, মিল্কভিটা ও আড়ংসহ সাতটি ‘দুধ’ মানহীন!
প্রকাশিত হয়েছে : ১১:২৭:৪২,অপরাহ্ন ২৫ জুন ২০১৯ | সংবাদটি ৫২৬ বার পঠিত
আমাদের প্রতিদিন ডেস্ক:: বাজারে বিক্রি হওয়া প্রাণ, মিল্কভিটা ও আড়ংসহ পাস্তুরিত সাতটি দুধ মানহীন বলে জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগ। এসব দুধে মাত্রাতিরিক্ত কলিফর্ম এবং কিছু দুধে এন্টিবায়োটিকের অস্তিত্ব মিলেছে। এছাড়া এসব প্রতিষ্ঠানের টিনে বিক্রি হওয়া ঘিতেও মান কম পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার ঢাবির ফার্মেসি বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
১১টি ফ্রুট ড্রিংকসের নমুনা পরীক্ষা করে সবগুলোতে নিষিদ্ধ ক্ষতিকর সাইক্লামেট পাওয়া গেছে বলে ফার্মেসি বিভাগের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এগুলো হলো, স্টার শিপ ম্যাংগো ফ্রুট ড্রিংকস, সেজান ম্যাংগো ড্রিংক, প্রাণ ফ্রুটো, অরেনজি, প্রাণ জুনিয়র ম্যাংগো ফ্রুট ড্রিংক, রিটল ফ্রুটিকা, সান ড্রপ, চাবা রেড এপল, সানভাইটাল নেক্টার ডি ম্যাংগো, লোটে সুইটেন্ডএপল, ট্রপিকানা টুইস্টার।
এছাড়াও আড়ং, বাঘাবাড়ি, প্রাণ, মিল্ক ভিটা, মিল্কম্যান, সুমির ও টিনে বিক্রি হওয়া দুধ ও ঘিয়ের মান উত্তরণে ব্যর্থ হয়েছে প্রতিষ্ঠানগুলো।
এছাড়া রূপচাঁদা, পুষ্টি, সুরেশ, ড্যানিশ, ও বসুধা সরিষা তেলসহ বাজারে বিক্রি হওয়া বিভিন্ন ভোজ্যতেলেও মানহীনতার চিত্র উঠে আসে প্রতিবেদনে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল ফার্মেসি এবং ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক আ.ব.ম.ফারুক বলেন, ‘এসব কোম্পানির দুধ পরীক্ষা করে মাত্রাতিরিক্ত কলিফর্মের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এছাড়া কিছু দুধে এন্টিবায়োটিকও পাওয়া গেছে।’
তিনি বলেন, ‘প্রাণ, মিল্কভিটা, আড়ংসহ পাস্তরিত দুধের সাতটি নমুনার কোনোটিতেই কাঙিক্ষত মাত্রার ‘সলিড নট ফ্যাট’ পাওয়া যায়নি। এই সাতটি নমুনায় ছিল: মিল্ক ভিটা, আড়ং ও প্রাণ।
সরকারি প্রতিষ্ঠান মিল্কভিটাও মানহীন দুধ বিক্রি করছে-সেক্ষেত্রে মানুষ কি খাবে? এমন প্রশ্নের জবাবে ঢাকা টাইমসকে ঢাবির এই অধ্যাপক বলেন, ‘আমারও একই প্রশ্ন আমরা কি খাবো? কিন্তু এই প্রশ্ন কার কাছে করব। সত্য কথা হলো অসাধু বাণিজ্য যার হাতে পড়বে, তারা এমনটা করবেই। সে সরকারি হোক-কি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। এর থেকে উত্তরণে অবশ্যই যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। না হলে মানহীন পণ্যই মানুষ কিনে খেতে বাধ্য হবে।’
আ ব ম ফারুক বলেন, ‘আমরা গবেষণা করে কিছুদিন পরে ফলাফল তুলে ধরি। কিন্তু যারা নীতিনির্ধারণী আছেন তারা বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করতে পারেন।’






