মুকব্বির খান এমপি ও বিএনপির লজ্জা!
প্রকাশিত হয়েছে : ১২:২১:২৬,অপরাহ্ন ২২ জুন ২০১৯ | সংবাদটি ৬৪৫ বার পঠিত
।। ফুজায়েল আহমাদ নাজমুল ।।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সিলেট -২ (বিশ্বনাথ-বালগঞ্জ-ওসমানীনগর) আসনের এমপি মুকাব্বির খান গুম হওয়া এম ইলিয়াস আলীকে অক্ষত অবস্থায় ফিরে পেতে সংসদে কথা বলবেন বলে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের কাছে অঙ্গীকার করেছিলেন। আর ইলিয়াস আলীর পরিবারসহ বিএনপির নেতাকর্মীরা জোটের অন্যতম শরীক দল খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রর্থী মুহাম্মাদ মুনতাসির আলীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে জনসমর্থনহীন দলের সূর্য মার্কার প্রার্থী মুকাব্বির খানকে বিজয়ী করতে মরিয়া হয়ে ওঠেছিল এবং শেষপর্যন্ত মুকাব্বির খান জয়ীও হয়েছিলেন।
দুঃখজনক হলেও সত্য, ইতিমধ্যে সংসদের কয়েকটি অধিবেশন হয়েগেলেও মুকব্বীর খান এমপি ইলিয়াস পরিবারের পক্ষে একটি কথাও বলতে শুনা যায়নি। বিএনপির কারা নির্যাতিত নেত্রী বেগম জিয়াসহ জোটের গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীদের মুক্তির কথা বলার সাহস দেখান নি। যে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের ভোট নিয়ে পার্লামেন্টে যাওয়ার সুযোগ হয়েছে সেই জোটের প্রতি কৃতজ্ঞতাটুকুও জানাননি। বিএনপির অন্যান্য এমপিরা অনতিবিলম্বে সংসদ বিলুপ্ত করে নিরপেক্ষ আরো একটি নির্বাচনের আহবান জানালেও মুকব্বির খান এ বিষয়েও নিরবতা অবলম্বন করে চলেছেন।
লক্ষ করলাম, মুকব্বির খান সংসদে যেকটি বক্তব্য দিয়েছেন তার সবকটিতেই গণফোরাম ও ড. কামালের ডায়ালগ দিয়ে গেলেন। এমনকি গতকালের বাজেট বক্তৃতায় অংশ নিয়ে তিনি শেখ মুজি মুজিবুর রহমানের আদর্শ ও স্বপ্ন বাস্তবায়নের অঙ্গীকার ব্যাক্ত করেন।
আজ বিএনপি নেতাকর্মীদের মুখ লজ্জায় লাল হয়ে আছে। তারা এ লজ্জা লুকিয়ে রাখতে নিশ্চয়ই হিমশিম খাচ্ছে। তবে আমি নিশ্চিত, বিএনপি মুনতাসীর আলীকে সমর্থন দিলে আজ তাদেরকে এ কঠিন লজ্জায় পড়তে হতো না। ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার মতো মুহাম্মদ মুনতাসির আলী পার্লামেন্টে আওয়ামী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ঝড় তুলতেন।
আসলেই বিএনপি দুর্ভাগা একটি দল।