ছবি তুলে ত্রাণ কেড়ে নেওয়া চেয়ারম্যান বরখাস্ত!
প্রকাশিত হয়েছে : ৪:৫৪:৫০,অপরাহ্ন ১২ এপ্রিল ২০২০ | সংবাদটি ৭৪৮ বার পঠিত
হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) থেকে সংবাদদাতা:: সারা দেশে যখন করোনার কারণে চলছে অস্থিরতা। দু:সময় পার করছেন দেশের নিম্ন আয়ের মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে সাহায্যের জন্য এগিয়ে এসেছেন সরকার ও দেশের বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান। তুলে দিচ্ছেন অসচ্ছলদের হাতে ত্রাণ।
এমনি হাটহাজারীর এক ইউপি চেয়ারম্যানের ছবি তুলে ত্রাণ কেড়ে নেওয়া নিয়ে সর্বত্র চলছে নানা সমালোচনা। অবশেষে অভিযুক্ত এ চেয়ারম্যানকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।
তিনি চট্টগ্রামের হাটহাজারীর মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আবছার।
রবিবার (১২ এপ্রিল) এক নোটিশে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। আরেকটি নোটিশে তাকে কেন চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করা হবে না তা ১০ দিনের মধ্যে জানাতে বলা হয়।
জানা গেছে, করোনাভাইরাসের কারণে কর্মহীন মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণের নামে গত ৬ এপ্রিল লোকজন জড়ো করে ছবি তুলেই তাদের পিটিয়ে তাড়িয়ে দেন চেয়ারম্যান নুরুল আবছার ও তার সহযোগীরা। নুরুল আবছার হাটহাজারী উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা। তার বিরুদ্ধে প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ এবং নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।
ত্রাণবঞ্চিত ও মারধরের শিকার লোকজন পরে হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুহুল আমিনের কাছে গিয়ে অভিযোগ করে। ইউএনও তখন নিজের বরাদ্দে থাকা ত্রাণ দিয়ে সেই লোকদের বাড়ি পাঠিয়ে দেন।
সে সময় ইউএনও রুহুল আমিন বলেন, করোনাভাইরাস রোধে কর্মহীন দিনমজুর ও হতদরিদ্রের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের জন্য মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদে ৩ দফায় ত্রাণ পাঠানো হয়। প্রথম দফায় ৫০০ কেজি চাউল ও নগদ ৩০০০ টাকা, দ্বিতীয় দফায় ৫৩৩ কেজি চাউল, তৃতীয় দফায় স্থানীয় এমপির পক্ষ থেকে ৫০ বস্তা ত্রাণ (চাউল, ডাল, আলু, পেঁয়াজ) পাঠানো হয়।
তবে চেয়ারম্যান নিজ ইউনিয়নে বিতরণ করছেন কি-না তার মাস্টার রোল কপি উপজেলায় জমা দেওয়া হয়নি। ওই ইউনিয়নের মেম্বারদের লিখিত অভিযোগও আমরা পেয়েছি। কপিটি জেলা প্রশাসক বরাবর প্রেরণ করা হচ্ছে।






