ছাত্রদল বা ছাত্রলীগের পরিচয় লাগবে না: ভিপি নুর
প্রকাশিত হয়েছে : ৬:১৫:২১,অপরাহ্ন ০১ ডিসেম্বর ২০১৯ | সংবাদটি ৩২৩ বার পঠিত
আমাদের প্রতিদিন ডেস্ক:: ছাত্রলীগ কিংবা ছাত্রদলের পরিচয় আমার লাগবে না বলে মন্তব্য করেছেন ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর। তিনি বলেছেন তার জন্য এই পদটিই অ্যানাফ (যথেষ্ট)।
ছাত্রদলের পদ নিতে ভিপি নুর তদবির করছেন বলে ডাকসুর এজিএস সাদ্দাম হোসেন যে অভিযোগ করেছেন তা মিথ্যা দাবি করেন তিনি।
রবিবার (১ ডিসেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে এমন দাবি জানান ভিপি নুর।
এর আগে এক সংবাদ সম্মেলন করে সাদ্দাম বলেন, ‘নুর নিজের রাজনীতি নিয়েই ব্যস্ত আছেন। ক্যাম্পাসে খুব বেশি সময় দেন না। এ জন্য তাকে পাওয়া যায়নি। শুনেছি, তিনি ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে পদ নেয়ার জন্য লবিং-তদবির করছেন। যেহেতু ছাত্রদল বিবাহিতদের সংগঠন, তাই নুরের সেখানে পদ নিতে আরও সুবিধা হবে।’
সাদ্দামের এমন বক্তব্যের বিষয়ে নুর বলেন, ‘এটি আসলে তাদের প্রোপাগান্ডা। এটি তারা শুরু থেকেই চালাচ্ছে। আমাদের জনপ্রিয়তায় তারা ইর্ষান্বিত হয়ে আগেই এ রকম প্রোপাগান্ডা চালিয়েছে।’
‘ডাকসুর ভিপি এ পরিচয়ই আমার অ্যানাফ (যথেষ্ট)। আমি সাধারণ ছাত্রীদের প্রতিনিধি। ছাত্রদল বা ছাত্রলীগের পরিচয় আমার লাগবে না। আর এটি লাগেও না। ডাকসু ভিপি পরিচয় আমার জন্য অ্যানাফ।’
কারও এজেন্ডা নিয়ে ডাকসুতে আসেননি উল্লেখ করে ডাকসু ভিপি বলেন, ‘এগুলো তাদের অনেক আগে থেকেই অভিযোগ। এটিকে আমরা পাগলের প্রলাপ ছাড়া ভালো মানুষের কথা বলে আখ্যায়িত করছি না। যারা এমন গুজব ছড়াচ্ছে, তারা নিজেরাই নৈতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ।’
‘একজন ছাত্র প্রতিনিধি সাত বছর ফেল করে এখনও অনার্সের দরজা পার হতে পারেনি। সুতরাং তার মুখ থেকে নীতি কথা আশা করা যায় না। বেফাঁস কথাবার্তা তার মুখ থেকে আসাটা অস্বাভাবিক কিছু নয়।’
সাদ্দাম পুরোপুরি সুস্থ নেই মন্তব্য করে নুর বলেন, ‘তিনি এখনও অসুস্থ। মানসিকভাবেও তিনি পুরোপুরি সুস্থ নন। তার ভালো ডাক্তার দেখানো উচিত। সে হয়তো মানসিকভাবে নানা টেনশনে আছে। এ জন্য নানা ধরনের বিভ্রাট কথা বলেছে। এ বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করলে জানা যাবে, আসলে সে সুস্থ কিনা।’
১৫ জানুয়ারির পর ভিপি নুর যে আন্দোলনের যাওয়ার কথা বলছেন সে বিষয়ে একজন সাংবাদিক জানতে চাইলে নুর বলেন, ‘আমরা বলেছি– শিক্ষার্থীদের মেধার ভিত্তিতে সিট দিতে হবে। ছাত্রলীগের প্রশ্রয়ে প্রত্যেকটি হলে বহিরাগত ও অছাত্র আছে। তাদের হল থেকে উচ্ছেদ করতে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। তারা যদি এই পদক্ষেপ না নেয়, তা হলে হলের সাধারণ শিক্ষার্থীদের সিট দাবিতে এবং বহিরাগতদের হল বিতাড়নে আমরা আন্দোলনে যাব।’






