ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বাড়ছে, পরিবার পাচ্ছে ১ লাখ করে
প্রকাশিত হয়েছে : ১০:১৪:৩৬,অপরাহ্ন ১২ নভেম্বর ২০১৯ | সংবাদটি ৪৬১ বার পঠিত
আমাদের প্রতিদিন ডেস্ক:: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় যাত্রীবাহী দুই ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে আরও একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ নিয়ে ভয়াবহ ওই ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৬ জনে। আহত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন আরও অর্ধশতাধিক যাত্রী। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।
এদিকে, এ দুর্ঘটনায় নিহতদের ১ লাখ করে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সোমবার (১১ নভেম্বর) দিবাগত রাত ৩ টার দিকে কসবা উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের মন্দভাগ রেলওয়ে স্টেশনের ক্রসিংয়ে আন্তঃনগর উদয়ন এক্সপ্রেস ও তূর্ণা নীশিতা ট্রেনের মধ্যে সংঘর্ষে ১৬ জন নিহত হয়।
এঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এদিকে দুর্ঘটনার কারণে রেল চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে প্রায় ৮ ঘণ্টা পর মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) সকাল ১১ টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে রেল চলাচল শুরু হয়।
এ ঘটনায় রেলওয়ে ও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ঘটনা তদন্তে ৩টি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
ঘটনার পর পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করে তাদের প্রত্যেকের পরিবারকে ২৫ হাজার করে টাকা দেওয়া হবে বলে জানান, এছাড়া আহতদের চিকিৎসারও ব্যবস্থা করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এক মধ্যে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। আর রেলওয়ে থেকে দু’টি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এর আগে ভোররাত তিনটার আগে তুর্ণা নিশীথা ও সিলেট থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী আন্তঃনগর উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনের সংঘর্ষ হয়। এতে এতো লোকের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষের পর তূর্ণা নিশীথার একাধিক বগি উদয়নের কয়েকটি বগির ওপর উঠে যায়। এর মধ্যে দুটি বগি দুমড়ে মুচড়ে যায়। সেখানে আরও মৃতদেহ থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
দুর্ঘটনার পরপরই রেল কর্তৃপক্ষ স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে নিয়ে উদ্ধার কাজ শুরু করে। পরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের তিনটি ইউনিট এবং পুলিশ সদস্যরাও উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়






