ভারতীয় সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানালো আরব আমিরাত!
প্রকাশিত হয়েছে : ৪:১৬:১২,অপরাহ্ন ০৭ আগস্ট ২০১৯ | সংবাদটি ৮৩৪ বার পঠিত
আমাদের প্রতিদিন ডেস্ক:: কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসন ও বিশেষ অধিকার বাতিলের মাধ্যমে সর্বশেষ স্বাধীনতাটুকুও কেড়ে নেয়ার ভারতীয় সিদ্ধান্তকে সমর্থনের কথা জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।
ভারতে নিযুক্ত আমিরাতের রাষ্ট্রদূতকে উদ্ধৃত করে এ সমর্থনের কথা জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত ড. আহমেদ আল বান্না বলেন, ‘রাজ্যের পুনর্গঠন স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে কোনও ব্যতিক্রমী ঘটনা নয়। এটা মূলত করা হচ্ছে আঞ্চলিক বৈষম্য দূর করে উন্নতির লক্ষ্যে। ভারতীয় সংবিধান অনুযায়ী এটি একটি অভ্যন্তরীণ বিষয়।’
সারা বিশ্বের বিশ্লেষকরা বলছেন এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে মূলত ভারত কাশ্মীরিদের সবরকমের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকার হরণ করছে। এবং কি ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টি সিপিআইএম বলেছে এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে উগ্র হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপির সরকার মূলত ভারতের মধ্যে আরেকটি ফিলিস্তিন জন্য দিচ্ছে। সেখানে মুসলিম রাষ্ট্র আরব আমিরাতের হিন্দুত্ববাদীদের এধরণের সমর্থন গোটা মুসলিম বিশ্বকে অবাক করেছে।
ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের মধ্য দিয়ে কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসনের অধিকার কেড়ে নেওয়ার পর জম্মু-কাশ্মিরের প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে রাজ্য থেকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করতে রাজ্যসভায় বিল পাস করেছে বিজেপি সরকার। জম্মু-কাশ্মীর পুনর্গঠন বিল ২০১৯ নামের এ বিলের আওতায় জম্মু-কাশ্মিরকে দু’ভাগ করে দুটি পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পরিণত করার কথা বলা হয়েছে। জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ হবে পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পক্ষ থেকে কাশ্মীর ইস্যুতে মোদি সরকারের সিদ্ধান্তে সমর্থনের কথা প্রকাশ হলেও পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমে তুরস্ক ও মালয়েশিয়ার বিরোধিতার খবর প্রকাশ হয়েছে। পাকিস্তান সবার আগে সিদ্ধান্তটি ‘একতরফা’ ও ‘অবৈধ’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।
ইসলামাবাদ জানিয়েছে, দিল্লির এই পদক্ষেপের বিরোধিতা করতে সম্ভাব্য সব ব্যবস্থা নেবে। একই দিন বিভিন্ন দেশের সরকার প্রধানের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপ করেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। ভারতের সিদ্ধান্তকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে কাশ্মীর ইস্যুতে তাদের সমর্থন প্রত্যাশা করেন তিনি। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের খবরে বলা হয়েছে, এতে সমর্থন দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ।






