logo
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সিলেট
  • প্রবাসে প্রতিদিন
  • রাজনীতি
  • কলাম
  • সারা দেশ
  • সাহিত্য
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • আরও
    • শিক্ষাঙ্গন
    • English Section
    • আইন-আদালত
    • অর্থ ও বাণিজ্য
    • সাক্ষাৎকার
    • সম্পাদকীয়
    • Board of Managements
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • প্রবাসে প্রতিদিন
  • সিলেট
  • সারা দেশ
  • কলাম
  • English Section
  • অর্থ ও বাণিজ্য
  • আইন-আদালত
  • সাহিত্য
  • সম্পাদকীয়
  • শিক্ষাঙ্গন
  • সাক্ষাৎকার
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • Board of Managements
  1. প্রচ্ছদ
  2. সাহিত্য
  3. ভারতে যেভাবে চলছে খারিজি মাদরাসা

ভারতে যেভাবে চলছে খারিজি মাদরাসা


প্রকাশিত হয়েছে : ১২:২০:৫১,অপরাহ্ন ২৭ এপ্রিল ২০১৭ | সংবাদটি ২৮০০ বার পঠিত

পশ্চিমবঙ্গে তিন ধরনের মাদরাসার মধ্যে খারিজি মাদরাসার সংখ্যা ৫-৬ হাজারের মতো৷ সরকারি অনুমোদনহীন এসব মাদরাসা চলে মূলত দানের টাকায়৷ বাংলাদেশের কওমি মাদরাসার মতো পশ্চিমবঙ্গের এ ধরনের মাদরাসা নিয়েও আছে বিতর্ক৷
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সংখ্যালঘু গরিব মুসলিম পরিবারের ছেলে-মেয়েদের জন্য বিকল্প শিক্ষার ব্যবস্থা করে চলেছে এই মাদরাসা৷ তবে খারিজি মাদরাসার হাল-হকিকত তুলে ধরার আগে পশ্চিমবঙ্গে মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থার সম্পূর্ণ ছবিটা হাজির করা দরকার৷

এই রাজ্যে মূলত তিন ধরনের মাদরাসা রয়েছে৷ এক, সরকারি অনুমোদন ও আর্থিক অনুদান প্রাপ্ত৷ দুই, সরকারের স্বীকৃতি পেলেও অনুদান থেকে বঞ্চিত এবং তিন, সরকারি অনুমোদন নেই ও অনুদান পায় না এমন মাদরাসা৷ তৃতীয় ধারাটিই খারিজি বা নিজামিয়া মাদরাসা নামে পরিচিত৷

পশ্চিমবঙ্গে প্রথম শ্রেণির মাদরাসাগুলি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যবস্থারই অংশ৷ সরকারি অনুমোদন ও অনুদান দুই-ই পায় এমন মাদরাসার সংখ্যা ৬১৪৷ এর মধ্যে ‘হাই মাদরাসা’ ৫১২টি, সিনিয়র মাদরাসা ১০২টি৷ আবার হাই মাদরাসার মধ্যে ৪০০টি হাই মাদরাসা আর ১২টি জুনিয়র হাই মাদরাসা৷ এ সব হাই মাদরাসা পরিচালনা করে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড৷ অন্যান্য মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষার্থীদের চেয়ে বাড়তি ইসলাম ধর্ম ও আরবি ভাষা শিক্ষার সুযোগ এখানে আছে৷ তবে হাই মাদরাসায় উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে ইসলামিক শিক্ষার সুযোগ নেই, কারণ, এই পর্যায়টি উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ পরিচালনা করে৷ ২১০টি হাই মাদরাসা উচ্চমাধ্যমিক স্তরে উন্নীত হয়েছে৷

বাংলাদেশে প্রচলিত দুই ধরনের মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে কওমি মাদরাসা একটি৷ উনিশ শতকে ভারতীয় উপমহাদেশে প্রতিষ্ঠিত দারুল উলুম দেওবন্দ মাদরাসার মাধ্যমে বাংলাদেশেও কওমি শিক্ষাব্যবস্থার প্রচলন হয়৷ দীর্ঘকাল ধরে কওমি মাদরাসা সরকারের আর্থিক সহায়তা ছাড়াই সাধারণ জনগণের সহায়তায় পরিচালিত হয়ে আসছিল৷ সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃতি লাভ করেছে ইসলামি এ শিক্ষা ব্যবস্থা৷

সিনিয়র মাদরাসায় মাধ্যমিক (আলিম) ও উচ্চমাধ্যমিক (ফাজিল) স্তরে ইসলামিক শিক্ষার পরিসর বেশি৷ ৬৬টি সিনিয়র মাদরাসাকে ফাজিল স্তরে উন্নীত করা হয়েছে৷ এই দ্বিতীয় প্রকার মাদ্রাসার সংখ্যা ২৩৫টি৷ এগুলি মাদ্রাসা শিক্ষা পর্ষদের অধীন, সরকারি অনুমোদন রয়েছে, কিন্তু শিক্ষকরা সরকারি স্কুলের মতো বেতন পান না, অর্থাৎ, সামান্য বেতনে তাদের পড়াতে হয়৷ এছাড়া, মাদরাসা শিক্ষা দপ্তরের অধীন রয়েছে শিশু শিক্ষা কেন্দ্র ও মাদরাসা শিক্ষা কেন্দ্র৷

পশ্চিমবঙ্গ মাদরাসা শিক্ষা পর্ষদের হিসেব অনুযায়ী, অনুমোদিত ৬১৪টি মাদরাসার মধ্যে ৫৫৪টি কো-এড, অর্থাৎ ছেলে-মেয়ে একসঙ্গেই পড়ে সেখানে৷ ৫৭টি শুধু মেয়েদের জন্য, তিনটি ছেলেদের জন্য৷ ১৭টি মাদরাসা উর্দু মাধ্যমের৷ অনুমোদিত মাদরাসার মধ্যে ১৮৩টিতে বৃত্তিমুখী শিক্ষা দেয়া হয়৷

কলকাতায় সরকার স্বীকৃত ও অনুদান প্রাপ্ত মাদরাসা৯টি৷ এর মধ্যে ৮টি হাই মাদরাসা, একটি সিনিয়র মাদরাসা৷

এই আলোচনার মূল বিষয়বস্তু অবশ্য পশ্চিমবঙ্গের খারিজি মাদরাসা৷ এই মাদরাসাগুলি ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠেছে, বিতর্ক হয়েছে, সরগরম হয়েছে রাজনীতি৷ কিন্তু রাজ্যের মোট জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশ মুসলিম সম্প্রদায়ের আর তাদের মধ্যে শিক্ষা বিস্তারের ক্ষেত্রে এই মাদরাসাগুলির উপযোগিতা অনস্বীকার্য৷

খারিজি মাদরাসা প্রাচীন শিক্ষাব্যবস্থার একটা মডেল৷ পশ্চিমবঙ্গে এই মাদরাসা অসংগঠিত, একটির সঙ্গে অপরটির যোগসূত্র নেই৷ এগুলি স্বাধীন ও স্বতন্ত্রভাবে পরিচালিত হয়৷ সরকারি অনুদান যেহেতু নেই, সেই কারণে এগুলির ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণও নেই৷ তাই রাজ্যে খারিজি মাদরাসার মোট সংখ্যা কত, সেটাও নির্দিষ্টভাবে বলা মুশকিল৷ মোটের উপর পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় আনুমানিক ৫-৬ হাজার খারিজি মাদরাসা রয়েছে৷ কেন্দ্রীয় বোর্ড বা পরিচালন পর্ষদ না থাকায় মাদরাসা বা শিক্ষার্থীর মোট সংখ্যা কত, তা নির্দিষ্টভাবে জানা যায় না৷

বেঙ্গল মাদরাসা এডুকেশন ফোরামের সভাপতি ইসারুল মণ্ডল জানান, এই মাদরাসাগুলি সম্পর্কে সরকারের কাছেও নির্দিষ্ট তথ্য নেই৷ মুসলিমদের জাকাত বা দানের টাকায় এই প্রতিষ্ঠানগুলি চলে৷ এখানে মূলত ধর্মীয় শিক্ষাই দেয়া হয়৷ এই বিদ্যালয়গুলির উপর নির্ভর করে দরিদ্র মুসলিম পরিবারগুলি৷ এই অভিভাবকদের কাছে বিদ্যালয় বা মাদরাসার শ্রেণিবিভাজন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা নেই৷ মসজিদ লাগোয়া ছোট ঘরে যে পঠনপাঠন চলে, তার উপরই ভরসা রাখে গরিব মুসলিম পরিবার৷

কোনো প্রত্যন্ত গ্রাম, যেখানে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পরিকাঠামো এখনও গড়ে ওঠেনি, সেখানে ধর্মাশ্রিত এই ব্যবস্থার আজও কোনো বিকল্প নেই৷ তার উপর বড় সুবিধা অন্নসংস্থানের৷ যে গরিব অভিভাবক অতি কষ্টে দু’মুঠো খাবারের ব্যবস্থা করেন, তার ছেলে-মেয়ে আবাসিক খারিজি মাদরাসায় গিয়ে পড়াশোনার সঙ্গে পেট ভরে খেতে পেলে সেটা বাড়তি প্রাপ্তি৷ অনেক অভিভাবক প্রজন্ম পরম্পরায় এই শিক্ষাব্যবস্থার শরিক৷ তাই নতুন প্রজন্মকেও পূর্বসূরিরা খারিজি মাদরাসায় পাঠাতে পছন্দ করেন৷ আবার অনেকে সচেতনভাবেই চান, তার সন্তান হাফেজ, মৌলানা, ইমাম বা মোয়াজ্জেম হয়ে উঠুক; পরম্পরায় বহমান ধর্মীয় শিক্ষার সঙ্গে জড়িত থাকুক৷

এর সঙ্গে আরেকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ, সংখ্যালঘু-মানসে সমষ্টি চেতনা৷ সব দেশেই সংখ্যালঘুদের ক্ষেত্রে এটা সত্যি৷ তাই ধর্মাশ্রিত শিক্ষার প্রতি ঝোঁক ঐতিহাসিকভাবে বিদ্যমান৷

কী ধরনের পড়াশোনা হয় খারিজি মাদরাসায়? মুর্শিদাবাদের ফারাক্কার খারেজি মাদরাসা আল জামিয়াতুত তাবলিমিয়া নাজমুল হুদা আমতলা মাদরাসার নাজেম তথা ব্যবস্থাপক আব্দুল মান্নান জানান, কোরান-হাদিসের ধর্মীয় শিক্ষার সঙ্গে আরবি ভাষার পাঠ দেয়া হয়৷ আরবি সাহিত্য পড়ানো হয় এই আবাসিক মাদরাসায়৷ এক দশক আগেও শুধু ধর্মশাস্ত্র পাঠের উপর জোর দেয়া হতো৷ এখন পরিস্থিতি বদলেছে, বর্তমানে এসব মাদরাসায় বাংলা, ইংরেজি, গণিতও শেখানো হয়৷ এখানকার সব পড়ুয়া যেহেতু বাঙালি মুসলিম পরিবারের ছেলে-মেয়ে, তাই তাদের মাতৃভাষার পাঠ দেয়া জরুরি৷ এছাড়া বিশ্বায়নের পর ইংরেজি ভাষার গুরুত্ব ক্রমশ বাড়ছে৷ যাতে খারিজি মাদরাসার পড়ুয়ারা অন্যান্য মাদরাসা বা বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের চেয়ে ভবিষ্যতে পিছিয়ে না পড়ে, সে জন্য তাদের ইংরেজি শেখানো হয়৷ এর সঙ্গে উর্দু শেখারও ব্যবস্থা আছে৷

আব্দুল মান্নান বলেন, “বছরে দু’বার পরীক্ষা নেয়া হয়৷ অর্ধবার্ষিক ও বার্ষিক পরীক্ষা৷ প্রথমটি রবিউলে, পরেরটি শাওয়াল মাসে৷ ১০০ নম্বর করে প্রতি বিষয়ে মোট ৭০০ নম্বরের পরীক্ষা নেয়া হয়৷ ৬০০-র বেশি শিক্ষার্থী রয়েছে আমতলা মাদরাসায়৷ ১৫ জন শিক্ষক ও চারজন শিক্ষিকা রয়েছেন৷ এ মাদরাসায় ভারতের জাতীয় সংগীত গাওয়া হয় না৷ উর্দুতে প্রার্থনা সংগীত হয়৷”

এখান থেকে পাস করার পর ছাত্ররা ইসলামি ধর্ম ও সমাজব্যবস্থার মধ্যে নিজেদের সম্পৃক্ত করে নেয়৷ হাফেজ, ইমাম, মোয়াজ্জেম, মৌলানা, ক্কারি প্রভৃতি পরিচয় বা স্বীকৃতি দেয়া হলেও এগুলির কোনো সরকারি স্বীকৃতি নেই৷ উচ্চশিক্ষা বা চাকরির সিংহভাগ ক্ষেত্রে খারেজি মাদরাসার ডিগ্রির মূল্য নেই৷ তাই ভারতের মাদরাসানির্ভর মুসলিম সমাজের নিজস্ব শিক্ষা পরিকাঠামোর সঙ্গে এখানকার পড়ুয়ারা ভবিষ্যতে অঙ্গীভূত হয়ে যায়, সেটাই তাদের জীবিকা হয়ে ওঠে৷

অবশ্য সরকার যা-ই করুক, ভারতীয় সংবিধান সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় শিক্ষাকেন্দ্র চালানোর অধিকার দিয়েছে৷ তাই খারিজি মাদ্রাসা কোনো সরকার দ্বারা স্বীকৃত না হলেও তার বৈধতা নিয়ে আইনি প্রশ্ন তোলা দুরূহ৷

কলকাতার ধর্মতলার মোড়ের উত্তর ধার ঘেঁষে এই মসজিদটি পরিচিত মহীশূরের নবাব টিপু সুলতানের মসজিদ নামে, যেটি ১৮৪২ সালে বানিয়েছিলেন টিপুর ছোট ছেলে গোলাম মহম্মদ শাহ৷

আব্দুল মান্নান জানান, খারিজি মাদরাসা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের দানেই চলে৷ সরকারি অর্থসাহায্য মেলে না৷ এখানকার ছেলে-মেয়েরা সরকারি প্রকল্প মিড-ডে মিলও পায় না৷ পশ্চিমবঙ্গের খারিজি বা কওমি মাদরাসা সরকার অনুমোদিত বা অনুদানপ্রাপ্ত নয়, মাদরাসা কর্তৃপক্ষ সেই দান গ্রহণে ইচ্ছুক নয়৷ সেক্ষেত্রে সরকার মাদরাসাকে নিয়ন্ত্রণ করবে, যেমন হাই মাদ্রাসার ক্ষেত্রে হয়েছে৷

উত্তর প্রদেশের সাহারানপুরে দেওবন্দ মাদরাসা দেশের অগ্রণী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান৷ তারাও সরকারি সাহায্য নিতে অস্বীকার করেছে৷ মুহাম্মদ কাসেম নানুতুবিসহ কয়েকজন মুসলিম বিদ্বজ্জন ১৮৬৬ সালে এই মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন৷ এই দেওবন্দ বা ফুরফুরা, আহলে হাদিসের অধীনে যে খারিজি মাদরাসা পরিচালিত হয়, সেগুলির শিক্ষার পরিবেশ কিছুটা ভালো হলেও পরিকাঠামোয় অনেকটা পিছিয়ে৷

পশ্চিমবঙ্গের মাদরাসা শিক্ষা দপ্তরের প্রাক্তন মন্ত্রী আব্দুস সাত্তারের বক্তব্য, খারিজি মাদরাসার পড়ুয়ারা মসজিদ লাগোয়া ঘরে ইসলামিক শিক্ষা নিয়ে আবার প্রাথমিক স্কুলেও পড়তে যায়৷ সেখানে সে ইতিহাস, ভূগোল, বিজ্ঞানও পড়ে৷ তার দাবি, এ রাজ্যের মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থা খুবই আধুনিক৷ তাই বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা পশ্চিমবঙ্গের মাদ্রাসা পরিদর্শনে এসেছিলেন৷ তারা এখানকার পরিকাঠামোর প্রশংসাও করেছেন৷ সাত্তার বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এখন এতই উন্নত যে রাজ্যের এমন অনেক মাদ্রাসা রয়েছে যেখানে মুসলিমদের তুলনায় সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের পড়ুয়া বেশি৷”

খারিজি মাদরাসা বারবার দেশবিরোধী কাজকর্মের অভিযোগে বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এসেছে৷ বর্ধমানের খাগড়াগড় বিস্ফোরণের সূত্রে সামনে এসেছে শিমুলিয়া মাদরাসার কাজকর্ম৷

অধ্যাপক ও প্রাক্তন মন্ত্রী সাত্তার এই অভিযোগ খারিজ করে দিয়ে বলেন, “ওটা আদৌ মাদ্রাসা ছিল কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে৷ কবে থেকে চালু হলো, ওখানে কারা পড়ত, এসব নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে৷ আমার মনে হয়, বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে মাদরাসার নামে ওটা খোলা হয়েছিল৷ এটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা৷ পশ্চিমবঙ্গের মাদ্রাসা শিক্ষার ঐতিহ্য আজও অম্লান৷” –ডিডব্লিউ

সাহিত্য এর আরও খবর
হাজী আব্দুস শহীদ মহিলা আলীম মাদ্রাসার বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন

হাজী আব্দুস শহীদ মহিলা আলীম মাদ্রাসার বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন

ফোবানা স্কলারশীপ এর জন্য আবেদন আহবান

ফোবানা স্কলারশীপ এর জন্য আবেদন আহবান

কবি জিন্নাহ চৌধুরী’র সাথে ‘কবিতা স্বজন’র উদ্যগে সাহিত্য আড্ডা অনুষ্টিত

কবি জিন্নাহ চৌধুরী’র সাথে ‘কবিতা স্বজন’র উদ্যগে সাহিত্য আড্ডা অনুষ্টিত

লন্ডনে ‘স্ব-চিন্তা’ মোড়ক উন্মোচন ও লেখক মোহাম্মদ নওয়াব আলীর সাথে মতবিনিময় সভা

লন্ডনে ‘স্ব-চিন্তা’ মোড়ক উন্মোচন ও লেখক মোহাম্মদ নওয়াব আলীর সাথে মতবিনিময় সভা

একজন আনোয়ার শাহজাহান  – শায়খ শফিকুর রহমান আল মাদানী

একজন আনোয়ার শাহজাহান – শায়খ শফিকুর রহমান আল মাদানী

সৃজনে ভাস্বর আনোয়ার শাহজাহান  – কালাম আজাদ

সৃজনে ভাস্বর আনোয়ার শাহজাহান – কালাম আজাদ

সর্বশেষ সংবাদ
৭ ম এশিয়ান ফেস্টিভ্যাল ২ ও ৩ মে ওরলান্ডোতে
৭ ম এশিয়ান ফেস্টিভ্যাল ২ ও ৩ মে ওরলান্ডোতে
ওরলান্ডোতে ১ ম বারের মত ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত
ওরলান্ডোতে ১ ম বারের মত ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত
৩০ তম এশিয়ান এক্সপোর চেয়ারম্যান এস আই জুয়েল ও কনভেনর তামান্না আহমদ
৩০ তম এশিয়ান এক্সপোর চেয়ারম্যান এস আই জুয়েল ও কনভেনর তামান্না আহমদ
ওরলান্ডোতে ১ ম ওয়াজ মাহফিল ৭ ই ফেব্রুয়ারী
ওরলান্ডোতে ১ ম ওয়াজ মাহফিল ৭ ই ফেব্রুয়ারী
ওরলান্ডোতে স্পোর্টস ক্লাবের ব্যাডমিন্টন টু্র্নামেন্ট সম্পন্ন
ওরলান্ডোতে স্পোর্টস ক্লাবের ব্যাডমিন্টন টু্র্নামেন্ট সম্পন্ন
২৪ জানুয়ারী স্পোর্টস ক্লাবের ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট
২৪ জানুয়ারী স্পোর্টস ক্লাবের ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট
ঢাকায় ৪০ তম ফোবানার মিট দ্যা প্রেস অনুষ্ঠিত
ঢাকায় ৪০ তম ফোবানার মিট দ্যা প্রেস অনুষ্ঠিত
রাষ্ট্রীয় সম্মাননায় ভূষিত ইতিহাসসন্ধানী লেখক ফারুক আহমদ
রাষ্ট্রীয় সম্মাননায় ভূষিত ইতিহাসসন্ধানী লেখক ফারুক আহমদ
প্রবাসী সম্মাননা ২০২৫- পাচ্ছেন লেখক সাংবাদিক আনোয়ার শাহজাহান
প্রবাসী সম্মাননা ২০২৫- পাচ্ছেন লেখক সাংবাদিক আনোয়ার শাহজাহান
আরেফিন বাবুল – শান্ত এর নেতৃত্বে জর্জিয়া এসোসিয়েশন
আরেফিন বাবুল – শান্ত এর নেতৃত্বে জর্জিয়া এসোসিয়েশন
২৭ নভেম্বর ওরলান্ডোতে স্পোর্টস  ক্লাবের ফ্যামিলী পিকনিক
২৭ নভেম্বর ওরলান্ডোতে স্পোর্টস ক্লাবের ফ্যামিলী পিকনিক
৪০ তম লস এনজেলস ফোবানা হিলটন ইউনিভার্সেল সিটিতে
৪০ তম লস এনজেলস ফোবানা হিলটন ইউনিভার্সেল সিটিতে
বাঘা ইউনিয়নের উন্নয়নে নতুন দিগন্ত: তিন কোটি টাকার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণে অগ্রগতি
বাঘা ইউনিয়নের উন্নয়নে নতুন দিগন্ত: তিন কোটি টাকার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণে অগ্রগতি
ফোবানার ৪০ তম আসর লস এনজেলসে
ফোবানার ৪০ তম আসর লস এনজেলসে
যুক্তরাজ্যে গোলাপগঞ্জের কৃতী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা জানাবে গোলাপগঞ্জ উপজেলা সোশ্যাল ট্রাস্ট
যুক্তরাজ্যে গোলাপগঞ্জের কৃতী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা জানাবে গোলাপগঞ্জ উপজেলা সোশ্যাল ট্রাস্ট
৭ ম ওয়ার্ল্ড ফেস্ট টেম্পায় ২০২৬ এর অক্টোবরে
৭ ম ওয়ার্ল্ড ফেস্ট টেম্পায় ২০২৬ এর অক্টোবরে
ফোবানার চেয়ারম্যান বেলাল, সেক্রেটারী খালেদ
ফোবানার চেয়ারম্যান বেলাল, সেক্রেটারী খালেদ
২০২৭ সালের ৪১ তম ফোবানা  হিউস্টনে
২০২৭ সালের ৪১ তম ফোবানা হিউস্টনে
ফোবানা আমার কাছে একটা অনুভূতির নাম- জসিম উদ্দিন
ফোবানা আমার কাছে একটা অনুভূতির নাম- জসিম উদ্দিন
আটলান্টা ফোবানায় দর্শকদের  জোয়াড়, রোববার ১ টায় শো শুরু 
আটলান্টা ফোবানায় দর্শকদের  জোয়াড়, রোববার ১ টায় শো শুরু 
© 2010-2026 AmaderProtidin.com
All Rights Reserved
Editor & Publisher: Anwar Shahjahan
AmaderProtidin.com, a Trading name of Sha Capital Ltd.
Company registration No 12214710
Address: Abdul Mutlib Complex (3rd floor), Golapganj Municipality, District Sylhet Mob: 01723 655894
Email: amaderprotidinnews@gmail.com
Go to top