সামান্য বৃষ্টিতেই ‘জল থই থই’ সিলেট নগরী!
প্রকাশিত হয়েছে : ৩:০১:৫০,অপরাহ্ন ০১ অক্টোবর ২০১৯ | সংবাদটি ৪৭৪ বার পঠিত
আমাদের প্রতিদিন ডেস্ক:: আশ্বিনের মধ্যখানে ভারী বৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সিলেট নগরবাসীকে। একদিকে নগরজুড়ে রাস্তা প্রশস্ত ও ড্রেন নির্মাণের জন্য চলছে খুড়াখুড়ি, অপরদিকে বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতা। মাত্র কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে সিলেট নগরীর অনেক সড়ক। কোনও কোনও এলাকার অলিগলি ছাড়িয়ে পানি উঠেছে বাসাবাড়িতেও। জলাবদ্ধতার কারণে যান চলাচল ব্যাহত হয়ে কোথাও কোথাও যানজটও প্রকট রূপ নিয়েছে।
মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) সকাল থেকেই থেমে থেমে চলতে থাকে বৃষ্টি। কিন্তু দুপুর হওয়ার সাথে সাথে মুশলধারে বৃষ্টি শুরু হয় নগরীতে। যা সন্ধ্যা পর্যন্ত অব্যাহত ছিলো। সন্ধ্যার পরও বৃষ্টি চলছে থেমে থেমে।
সিলেট সিটি করপোরেশনের ৬ নং ওয়ার্ড সৈয়দ মুগনী এলাকার বেশ কয়েকটি বাড়ি-ঘরে পানি ঢুকে গেছে। এছাড়া নগরীর দাড়িয়াপাড়া, জামতলা, চৌহাট্টার সড়ক ও জনপদ অফিসের সামনে, জিন্দাবাজার, নয়াসড়ক, ছড়ারপাড়, পুরানলেন, শেখঘাট, ঘাসিটুলা, কলাপাড়া, ভাতালিয়া, উপশহরসহ আরও বেশ কয়েকটি এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।

এদিকে, বৃষ্টিতে সিলেট-সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে সড়কে লন্ডনিরোড থেকে মদিনা মার্কেট এলাকা একেবারে জলমগ্ন হয়ে পড়ে। পানিতে ডুবে যায় সড়ক।
সিলেট-সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে লন্ডনীরোড এলাকায় জলাবদ্ধতার ফলে সুবিদবাজার থেকে মদিনা মার্কেট পর্যন্ত দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এসময় সড়কের উভয় পাশে প্রায় দুশতাধিক যানবাহন আটকা পড়ে।
এছাড়াও বৃষ্টিতে লন্ডনীরোডে জলাবদ্ধতায় পরে ইঞ্জিনে পানি ঢুকে গাড়ি, সিএনজি অটোরিকশা, মোটরবাইক পথিমধ্যে বিকল হয়ে পড়ে। এসব দেখে অনেক চালক সিএনজি অটোরিকশা নষ্ট হবার ভয়ে লাভলী রোড মোড়ে এসে গাড়ি ঘুরিয়ে নেয়। এসব কারণে যানজট সৃষ্টি হয়। এসময় অনেক যাত্রী গাড়ি থেকে নেমে বিকল সিএনজি অটোরিকশা ও প্রাইভেট কারকে ধাক্কা দিয়ে চালকদের সাহায্য করেন।
লন্ডণী রোড এলাকার বাসিন্দা ব্যবসায়ী মন্নান আহমদ বলেন, ১৯৯৪ সালে আমরা যখন আমরা পাঠানটুলা স্কুলে অধ্যয়নরত ছিলাম তখনও বৃষ্টি হলে জলাবদ্ধতা হতো। ওই সময় এই পানিতে খেলা করে খুশি মনে বাসায় গেলেও এখন আর এই জলাবদ্ধতায় খুশি হতে পারি না। এভাবে আর কতদিন চলবে। সিটি করপোরেশনের দায়িত্বশীলদের আরও দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন।
এ ব্যাপারে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান বলেন, এই সড়কে জলাবদ্ধতা ভোগান্তি দীর্ঘ দিনের। এই সড়কের ড্রেন বড় করার জন্য ৬ মাস আগে কাজ ধরা হয়েছে। লন্ডনীরোডের মুখ থেকে মদিনা মার্কেট হয়ে ধোপাচড়া পর্যন্ত যাবে এই ড্রেন। আশা করছি এই ড্রেনের কাজ শেষ হলে এই সড়কে আর জলাবদ্ধতা হবে না।






