নিত্য প্রয়োজনীয় ২৩টি ওষুধের দাম বৃদ্ধি!
প্রকাশিত হয়েছে : ৭:৩১:৩৭,অপরাহ্ন ১৯ আগস্ট ২০১৯ | সংবাদটি ১৬৬৭ বার পঠিত
আমাদের প্রতিদিন ডেস্ক:: ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কোলেষ্টেরল, গ্যাষ্ট্রিকসহ প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় ২৩ ধরনের ওষুধের দাম বেড়েছে গত দুই মাসে। ওষুধের দাম বাড়ানোয় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। আন্তর্জাতিক বাজারে এসব ওষুধ তৈরির কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়াকে যুক্তি হিসেবে তুলে ধরছেন ওষুধ প্রস্তুতকারকরা।
৭২ বছরের জিয়াউল ইসমি গত ১০/১৫ বছর ধরে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগের জন্য প্রতিদিন ওষুধ খান। হঠাৎ করে প্রয়োজনীয় এসব ওষুধের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন তিনি। বেড়েছে সংসারের খরচও।
জানাগেছে, স্কয়ার, রেনেটা, অপসোনিন, বেক্সিমকোসহ বেশ কিছু কোম্পানির প্রায় ২৩ ধরণের ওষুধের দাম বেড়েছে গত দুই মাসে। এরমধ্যে রয়েছে ফ্লেক্সি, এসিফিক্স, বাইজোরান, মোটিগার্ট, ডন, মোনাস, অমিডন, রুপাট্রল, হাইপেনসহ বিভিন্ন ওষুধ। প্রতি পাতায় গড়ে এগুলোর দাম ২ থেকে ৬ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের তথ্যমতে, দেশে সর্বমোট ২৬৯টি এ্যলোপ্যাথিক ওষুধ প্রস্তুতকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠান প্রায় ২৪ হাজার রকমের ওষুধ তৈরি করে। আর সরকারীভাবে উৎপাদিত হয় ১১৭ ধরণের ওষুধ। যার দাম নির্ধারণ করে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর। বেসরকারি কোম্পানীগুলো নিজেদের চাহিদা মতো ওষুধের দাম বৃদ্ধির অনুমতি নিয়ে রাখে। সুবিধামতো সময়ে তারা বাজারে বাড়তি দামে ওষুধ ছাড়ে।
হঠাৎ করে ওষুধের দাম বৃদ্ধিকে স্বাভাবিক বলে দাবি করছে বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প সমিতি। তারা বলছেন, যেগুলোর দাম বেড়েছে তা আগে থেকেই অনুমতি নেয়া ছিলো।
ওষুধের এই বাড়তি দাম সম্পর্কে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালক বলেন, সরকার নির্ধারিত ১১৭টি ওষুধের বাইরে ব্যক্তিখাতের প্রতিষ্ঠান আলোচনা সাপেক্ষে নিজেদের পণ্যের দাম নির্ধারণ করে।
তিনি বলেন, বেশ কিছু ওষুধের দাম কমানো ও সমন্বয় করা হয়েছে।






