যাত্রীবাহী ‘ট্রেন’ চালুর পরিকল্পনা!
প্রকাশিত হয়েছে : ৮:২৫:৪৯,অপরাহ্ন ২৯ এপ্রিল ২০২০ | সংবাদটি ১৫২৩ বার পঠিত
আমাদের প্রতিদিন ডেস্ক:: করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ২৫ মার্চ থেকেই যাত্রীবাহী ও লাগেজ ভ্যান ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
তবে মালবাহী ট্রেনের সাথে মাসের নির্দিষ্ট কয়েকদিন দুই বগি বিশিষ্ট ‘বেতন ট্রেন’ নামক ট্রেনও চলাচল করছে। এমন অবস্থায় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ যাত্রীবাহী ও লাগেজ ভ্যান ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা নিয়েছেন।
ইতিমধ্যে লাগেজ ভ্যান ট্রেন চালু করার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা পাওয়া গেছে। যাত্রীবাহী ট্রেন পরিচালনার নির্দেশনা পেলেই ট্রেন পরিচালনা করতে পারবে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
কর্তৃপক্ষ বলছেন, যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকলেও ট্রেন পরিচালনার সঙ্গে সম্পৃক্ত স্টেশন মাস্টার, ট্রেন চালক-গার্ডসহ মাঠ পর্যায়ের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী স্ব-স্ব হেডকোয়ার্টার এবং স্টেশনে রয়েছেন। ফলে ২/১ দিনের মধ্যেই লাগেজ ভ্যান ট্রেন চালানো হবে। পরবর্তীতে করোনা প্রতিরোধে সব নির্দেশনা মেনে যাত্রীবাহী ট্রেন পরিচালনা হবে।
এ বিষয়ে রেলপথ মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন জানান, ২৫ মার্চ থেকেই যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। কিন্তু আমরা মালবাহী ট্রেন পরিচালনা করছি। বর্তমানে ধীরে ধীরে পোশাক কারখানা চালুসহ কিছু কিছু ক্ষেত্রে শিথিলতার পথে হাঁটছে সরকার। আমরা ট্রেন চালাতে সব সময়ই প্রস্তুত।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা পাওয়া গেছে লাগেজ ভ্যান ট্রেন চালানোর জন্য। লাগেজ ভ্যান, বিভিন্ন যাত্রীবাহী ট্রেনের সঙ্গে একটি করে ‘লাগেজ ভ্যান’কোচ চালানো হত। এখন আমরা পুরো একটি ট্রেনই শুধু মাত্র লাগেজ ভ্যান দিয়ে চালাব।
তিনি বলেন, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথাবার্তা চলছে, আগামী ১/২ দিনের মধ্যেই লাগেজ ভ্যান ট্রেন চালানো হবে। তরমুজ থেকে শুরু করে সব ধরনের সবজি-ফলমূল, কাঁচামাল বহন করা হবে এ ট্রেনে। একই সঙ্গে, আমরা যাত্রীবাহী ট্রেন পরিচালনা করতেও প্রস্তুত রয়েছি। সরকারের নির্দেশনা পেলেই প্রথমে দূরপাল্লার ট্রেন, পরে লোকাল-মেইল, কমিউটার ট্রেন পরিচালনা করা হবে।
রেলপথ সচিব মো. মোফাজ্জেল হোসেন জানান, সরকারের পক্ষ থেকে ট্রেন পরিচালনার নির্দেশনা পেলে আমরা ট্রেন পরিচালনা করব। আমরা ইতিমধ্যে বেশ কয়েকবার বৈঠক করেছি। করোনার সময়ে ট্রেন পরিচালনা করতে হলে কী কী পদক্ষেপ নিতে হবে।
তিনি বলেন, দূরপাল্লার ট্রেন পরিচালনা করলে এক একটি কোচে থাকা আসন সংখ্যার বিপরীতে অর্ধেক কিংবা তার বেশি সিট খালি রেখে টিকিট বিক্রি করব। অর্থাৎ নির্ধারিত দূরত্ব রেখে রেখে যাত্রীদের বসানো হবে। কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে ট্রেন চলাচল। তবে, বিষয়টি যেহেতু একেবারেরই নতুন আমরা কতটুকু সফল হব বলা যাচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে যাত্রীদেরও সর্বোচ্চ সর্তক হতে হবে।






