উত্তরবাঘার গৌরাবাড়ী-গন্ডামারা রাস্তার উন্নয়নে এগিয়ে এলেন সারওয়ার হোসেন
প্রকাশিত হয়েছে : ১০:৩২:০২,অপরাহ্ন ০৯ মার্চ ২০১৮ | সংবাদটি ১৬০৯ বার পঠিত
মিছবা মাছূম, লন্ডন :: বাংলাদেশে এমন নেতা চাই, যে নেতা বাংলার প্রতিটি প্রান্তরে, স্বপ্ন নয় বাস্তবায়নের জন্য কাজ করার ক্ষমতা এবং মনমানসিকতা পোষণ করেন। হত দরিদ্র মানুষের সুখ দুঃখের কথা শুনার জন্য এলাকার দূর্গম পথ পাড়ি দিয়ে ছুটে যান তাদের কাছে। দলমত সব কিছুর উর্ধে উঠে মানুষকে মানুষ হিসাবে মূল্যায়ন করেন। দুঃখী মানুষের জন্য কাজ করেন, তাদের কষ্টে কাঁদেন, তাদের জন্য কিছু করতে পেরে গর্বিত মনে করেন।
অবহেলা ও বঞ্চনা নয, বাংলার সকল মানুষের সমঅধিকার প্রতিষ্টার সংগ্রামে সমগ্র দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ডাক দিয়ে এ দেশকে মুক্ত করেছিলেন, সেই স্বাধীনতার পূর্ণ স্বাদ তৃণমূল পর্যায়ে মানুষের কাছে পৌঁছাতে প্রয়োজন নির্লোভ নেতৃত্ব। ক্ষমতা কিংবা পদপদবীকে প্রাধান্য না দিয়ে মানুষের আস্থা ও ভালবাসা অর্জনে শ্রম, সময় ও অর্থ নিঃস্বার্থভাবে বিলিয়ে দিতে কুন্ঠাবোধ করেন না। আমাদের আজ এমন একজন নেতার প্রয়োজন অনুভব করছি, যিনি কোন ব্যক্তি বিশেষের দ্বারা প্রভাবিত না হয়ে সাধারণ মানুষের কথাকে মূল্যায়ন করেন।
তেমনি একজন নেতা সরওয়ার হোসেন,যিনি গোলাপগঞ্জ বিয়ানীবাজারের নাগরিক সুবিধা বঞ্চিত মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে ছুটে চলেছেন গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে, এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। বিরামহীন পথ চলা, যেন কোন প্রকার ক্লান্তি নেই তাঁর মধ্যে।
কিছুদিন আগের কথা, ১৮ ফেব্রুয়ারীতে বাঘা ইউনিয়নের অবহেলিত জনপদ উত্তরবাঘার (গৌরাবাড়ী-গন্ডামারা) রাস্তাটি পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। এলাকাবাসীর সাথে এক মতবিনিময় সভায় বলেছিলেন খুব শীঘ্রই সিলেট জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী (এল জি ই ডি) মহোদ্বয়কে সঙ্গে নিয়ে সরজমিনে রাস্তাটি দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৫ মার্চ সিলেট জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী এ এস মহসিন সহ নিজে উপস্থিত হয়ে রাস্তাটি পর্যবেক্ষন করেন। নির্বাহী প্রকৌশলী রাস্তাটি পর্যবেক্ষনের সময় বারবার বলেছিলেন, গোলাপগঞ্জে এমন রাস্তা আছে তা তিনি কল্পনাও করতে পারেননি। রাস্তা পরিদর্শন শেষে এ এস মহসীন বলেছিলেন এটা একটু ব্যয় বহুল কাজ, জবাবে উপস্থিত জনতার সামনে সরওয়ার হোসেন বলেছিলেন, আপনি আপনার কাজটি করুন বাকিটা আমি দেখবো। পরের দিন ৬ মার্চ গোলাপগঞ্জ উপজেলার প্রকৌশলী রাস্তাটি সরজমিনে মেপে যান। প্রায় ১৩শত মিটার লম্বা রাস্তাটিতে প্রথমবারের মতো হয়তো খুব শীঘ্রই উন্নয়নের ছোঁয়া লাগবে।
স্বপ্ন নয়, বাস্তবায়নের পথে উত্তরবাঘার ( গৌরাবাড়ী-গন্ডামারা) অবহেলিত রাস্তাটি। যুগের পর যুগ এলাকার শিশু, যুবক, বয়োবৃদ্ধরা কাঁদা-পানি মেখে বর্ষা মৌসুমে স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা ও বাজার হাঁটে যেতেন। কখনো কল্পনা করেননি এ রাস্তাটি মানুষ চলাচলের উপযোগী হবে কিংবা রাস্তা দিয়ে গাড়ি চলবে। কিন্তু এখন আর স্বপ্ন নয়, বাস্তবে রুপ নিতে চলেছে বর্ষা মৌসুমে রাস্তার উপর বাঁশের সাঁকো দিয়ে পথ চলা রাস্তাটি। আর এই বাস্তবায়নের নায়ক বঙ্গবন্ধুর আদর্শের এক লড়াকু সৈনিক, গোলাপগঞ্জ – বিয়ানীবাজারের অবহেলিত,উন্নয়ন বঞ্চিত, হত দরিদ্র মানুষের প্রিয় নেতা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্নেহভাজন, কানাডা আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জননেতা সরওয়ার হোসেন। দলমত নির্বিশেষে বাঘা এলাকার মুরব্বিয়ান, জনপ্রতিনিধি, যুবক, শ্রমিক, কৃষক সকল শ্রেণী/ পেশার মানুষ আজ সরওয়ার হোসেনের একান্ত আপনজন। তাইতো দলীয় ব্যানারে নয়, এলাকাবাসীর ব্যানারে পাড়ায় পাড়ায় মতবিনিময় সভা করে চলেছেন। বর্তমান সরকারের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও উন্নয়নের বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন সব মানুষের কাছে। যেখানেই সাধারন মানুষের প্রয়োজনের কথা শুনতে পাচ্ছেন সেখানেই সরজমিনে উপস্থিত হচ্ছেন কানাডা আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, ওয়ান ইলেভেনের কারানির্যাতিত, দেশরত্ন শেখ হাসিনার দু:সময়ের শারথী জননেতা সরওয়ার হোসেন। ইতিমধ্যে বাঘা মাদ্রাসা ঘাট হতে সুনাপুর-অধিরের দোকান হয়ে কালাকোনা রাস্তা ও গোলাপনগর মসজিদ – বুরহান উদ্দিন রোড দুইটি পরিদর্শন করেছেন। খুব শীঘ্রই লালনগরসহ বাঘার অন্যান্য রাস্তাগুলো নিজ চোখে দেখবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
গত ৫ মার্চ উত্তরবাঘার রাস্তাটি পরিদর্শন শেষে জনাব আলহাজ্ব সিরাজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্টিত এক মতবিনিময় সভায় এল জি ই ডি’র সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী ও বিপুল সংখ্যক বাঘাবাসীর উপস্থিতিতে জননেতা সরওয়ার হোসেন ঘোষনা দিয়েছিলেন যদি গোলাপগঞ্জ উপজেলায় নতুন কোন রাস্তার কাজ হয় তবে প্রথমেই উত্তরবাঘার (গৌরাবাড়ী-গন্ডামারা) রাস্তাটি হবে। উনার এ আশার বাণী শুনে আজ উত্তরবাঘার বৃদ্ধ, যুবক, ছাত্রছাত্রী, কৃষক ,শ্রমিকসহ সর্বস্তরের জনসাধারন অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় আছে সেই মহেদ্রক্ষণের। এলাকার যুবকেরা স্বেচ্ছাশ্রম দিতে প্রস্তুত। আমি বিশ্বাস করি খুব শীঘ্রই জননেতা সরওয়ার হোসেন রাস্তার কাজের শুভ উদ্বোধন করবেন। ইনশাল্লাহ আমরা অবহেলিত বাঘাবাসী অফুরান ভালবাসায় আপনার এ অবদানের কথা আজীবন কৃতজ্ঞ চিত্তে স্মরন করবো।