আমাদের প্রতিদিন ডেস্ক:: সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ব্যাংক কর্মকর্তাসহ দু’জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এনিয়ে উপজেলায় আক্রান্তের সংখ্যা দাড়ালো ৮৬ জনে।
নতুন আক্রান্ত উভয়ের বাড়ি জকিগঞ্জ উপজেলায়।
সোমবার (১৫ জুন) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শাহিনুর ইসলাম শাহিন।
নতুন আক্রান্তরা হচ্ছেন পূবালী ব্যাংক ঢাকাদক্ষিণ শাখার ২৫ বছর বয়সের এক জুনিয়র অফিসার। তিনি সিলেট শহরে বসবাস করেন। অপরজন গোলাপগঞ্জ বাজারের পোস্ট অফিসে কর্মরত একজন। তাঁর বয়স ৫০ বছর। তিনি জকিগঞ্জে নিজ বাড়িতে আছেন।
এদিকে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সর্বশেষ তথ্য সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (১৪ জুন) পর্যন্ত উপজেলার ৯৮৫ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এরমধ্যে নতুন দু’জনসহ আক্রান্ত হয়েছেন ৮৬ জন। আইসোলোসনে চিকিৎসাধিন রয়েছেন ৪৪ জন, মোট সুস্থ্য হয়েছেন ৩৮ জন। আর করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২ জন।
গোলাপগঞ্জ উপজেলার ১১ ইউনিয়ন ও পৌরসভার মধ্যে একমাত্র শরীফগঞ্জ ইউনিয়ন এখনও করোনামুক্ত রয়েছে। বাকী ১০ টি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় কমবেশি আক্রান্ত রয়েছেন।
ইউনিয়ন ভিত্তিক করোনা আক্রান্ত ও সুস্থ্য হয়ে ওঠাদের তালিকা নিম্নে দেয়া হল:-
গোলাপগঞ্জ পৌরসভায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন ৩৫ জন, এরমধ্যে সুস্থ্য হয়ে ওঠেছেন ২০ জন।
১ নং বাঘা ইউনিয়নে ৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন, কেউ সুস্থ্য হয়ে ওঠেননি, করোনা আক্রান্ত হয়ে একজন মারা গেছেন।
২ নং গোলাপগঞ্জ সদর ইউনিয়নে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ জন, তবে এখনও কেউ সুস্থ্য হননি।
৩ নং ফুলবাড়ি ইউনিয়নে এখন পর্যন্ত ১ জন আক্রান্ত হয়েছেন। তিনি এখনও সুস্থ্য হয়ে ওঠতে পারেননি।
৪ নং লক্ষ্মীপাশা ইউনিয়নে একজন আক্রান্ত ছিলেন, তিনি সুস্থ্য হয়ে ওঠেছেন।
৫ নং বুধবারীবাজার ইউনিয়নে ৩ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন, এরমধ্যে ১ জন সুস্থ্য হয়ে ওঠেছেন।
৬ নং ঢাকাদক্ষিণ ইউনিয়নে আক্রান্ত ছিলেন ৪ জন, এরমধ্যে ৩ জনই সুস্থ্য হয়ে ওঠেছেন।
৭ নং লক্ষণাবন্দ ইউনিয়নে আক্রান্ত হয়েছিলেন ৭ জন, সুস্থ্য হয়েছেন ১ জন।
৮ নং ভাদেশ্বর ইউনিয়নে ৮ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন, সুস্থ্য হয়েছেন ৪ জন।
৯ নং পশ্চিম আমুড়া ইউনিয়নে আক্রান্ত হয়েছিলেন ২ জন, ১ জন ইতোমধ্যে সুস্থ্য হয়ে ওঠেছেন।
১০ নং বাদেপাশা ইউনিয়নে আক্রান্ত ছিলেন ৬ জন, সুস্থ্য হয়ে ওঠেছেন ৫ জন, আর একজন আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। তিনি গোলাপগঞ্জ উপজেলার আছিরগঞ্জ বাজারে ব্যবসা করলেও তার বাড়ি বিয়ানীবাজার উপজেলায়।
এছাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৮ জন স্টাফ আক্রান্ত ছিলেন, তাদের মথ্যে ২ জন ইতোমধ্যে সুস্থ্য হয়ে ওঠেছেন।