গত ১৮ই অক্টোবর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রোয়েল রোডের বাংলাদেশ রেস্টুরেন্টে শেখ রাসেলের স্মরনে দোয়া মাহফিল ও কেক কেটে এই অনুষ্ঠান পালিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় আইন মন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল হক।

সিঙ্গাপুর শাখা আওয়ামীলীগ এর সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আবেদিন সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সভাপতি সালাউদ্দিন রানা তন্ময়। প্রায় শতাধিক নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে সিঙ্গাপুর শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি বিল্লাল হাওলাদার তার বক্তব্যে বলেন “আমাদের অন্তরের অন্দরে শেখ রাসেলের বসবাস,  জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলার মানুষের কল্যাণে অনেক সময় এই ছোট্ট ছেলেটিকেও পিতৃস্নেহ থেকে বঞ্চিত করতে বাধ্য হয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর জীবনী আমাদের জানতে হবে। তিনি সকল নেতাকর্মীকে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী পড়ার জন্য বিশেষভাবে তাগিদ দেন।

স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ন-আহবায়ক ও বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক পরিষদের সদস্য সচিব সাদ্দাম হোসেন ভুইয়া বলেন, শেখ রাসেল আমাদের পথ প্রদর্শক। আজ শেখ রাসেল বেঁচে থাকলে তিনিও দেশরত্নের অবর্তমানে দেশের কান্ডারী হতেন।

সিঙ্গাপুর শাখা আওয়ামীলীগের সভাপতি সালাউদ্দিন রানা অশ্রুসিক্ত নয়নে তার সমাপনী বক্তব্যে বলেন “১৫ আগষ্টের ভোরে শেখ রাসেল পিতৃ-মাতৃ সহ সকল পরিচয় ভুলে গিয়ে খুনিদের কাছে বেঁচে থাকার আকুতি জানিয়েছিলো, কিন্তু খুনিরা তাকে বাঁচতে দেয়নি। কয়েক দশক পরে হলেও বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনা শেখ রাসেলের খুনিদের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে প্রমাণ করেছেন, সত্যের মৃত্যু হয় না। আজ বাংলার নির্যাতিত নিপীড়িত শিশুদের মাঝে শেখ রাসেল অম্লান হয়ে আছে।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন সিঙ্গাপুর আওয়ামীলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ।