গবেষকরা বলছেন, মায়ের গর্ভে থাকাকালীনই সন্তানের বর্ণ নির্ধারিত হয়। আর এই বর্ণ মায়ের খাদ্যাভাসের উপর অনেকটাই নির্ভরশীল।

সুস্থ ও সুন্দর শিশু সবাই চায়। আর এ কারণে গর্ভকালীন সময়ে মায়ের খাদ্যাভাসে পরিবর্তন আনতে হবে। বেশি বেশি পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। বদঅভ্যাস থাকলে তা ত্যাগ করতে হবে।
জেনে নেওয়া যাক কি কি খাবার শিশুকে সুস্থ ও সুন্দর হতে সাহায্য করবে।

-গর্ভাবস্থায় জাফরান দেওয়া দুধ পান করুন বেশি বেশি। জাফরান গর্ভের শিশুর গায়ের রং ফর্সা করতে সাহায্য করবে।

-প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী নারিকেলের সাদা শাঁস গর্ভের শিশুর বর্ণ ফর্সা করে। তবে গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত নারিকেল খাওয়া মোটেই স্বাস্থ্যসম্মত নয়। খেতে পারেন, তবে পরিমিত।

-গর্ভবতী নারীদের দুধ পান করা অত্যাবশ্যকীয়। দুধ শিশুর শরীর গঠনের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। দুধও শিশুর রং ফর্সা করতে সহায়ক।

-গর্ভাবস্থায় নিয়ম করে ডিম খান। ডিমে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন আছে। যা শিশুর শরীর গঠনে সহায়ক। পাশাপশি শিশুর রং ফর্সা করতেও সাহায্য করবে।

-চেরি ও বেরি জাতীয় ফলে উচ্চমাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে এবং ত্বকের ক্ষতি রোধ করে। তাই স্ট্রবেরি, ব্ল্যাক বেরি, ব্লু বেরি ইত্যাদি ফল সুন্দর ত্বকের জন্য বেশি করে খাবেন।

-টমেটোতে লাইকোপেন থাকে যা ক্ষতিকর আল্ট্রা ভায়োলেট রে এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে সূর্যের আলোর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে শিশুর ত্বককে রক্ষা করে। এ কারণে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় টমেটো রাখতে হবে।

-কমলাতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে। যা শিশুর শরীর গঠনের জন্য অপরিহার্য। গর্ভাবস্থায় কমলা খেলে শিশুর ত্বক ভালো হবে।