প্রবাসী লেখক ও সাংবাদিক, গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাবের প্রতিষ্টাতা সদস্য, ভূমি ও ভবনদাতা আনোয়ার শাহজাহানের পিতা হাজী আব্দুল মুতলিব কুনু মিয়ার মৃত্যুতে তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করে গোলাপগঞ্জ সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্টিত হয়েছে।

১৭ জুন শনিবার গোলাপগঞ্জ চৌমুহনীর অভিজাত বাদশাহ রেস্টুরেন্টে গোলাপগঞ্জ সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি ও  দৈনিক আমাদের সময় এর গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি মাহবুবুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি হারিস আলীর পরিচালনায় দোয়া ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট পল্লী বিদ্যুত সমিতি বোর্ডের সচিব ও বিশিষ্ট সাংবাদিক আব্দুল আহাদ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক শহীদুর রহমান সুহেদ, গোলাপগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাব সভাপতি এম আব্দুল জলিল, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও দৈনিক সিলেটের ডাক গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি মাহফুজ আহমদ চৌধুরী।

দোয়া ও ইফতার মাহফিলে আরো উপস্থিত ছিলেন, গোলাপগঞ্জ সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির অর্থ সম্পাদক জালাল আহমদ চৌধুরী,গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার সংবাদ পত্রিকার  ষ্টাফ রিপোর্টার এমরান আহমদ, সাপ্তাহিক হলি সিলেটের বিশেষ প্রতিনিধি আব্দুল আজিজ, গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার সংবাদের স্টাফ রিপোর্টার মনসুর হোসেন মুন্না, অনলাইন প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি আজিজ খান, সাপ্তাহিক সুরমা টাইমস’র গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি কে এম আব্দুল্লাহ, অনলাইন প্রেসক্লাবের সেক্রেটারি জাহিদ উদ্দিন, সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক বদরুল আলম, দৈনিক ডেসটিনি’র গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি রুবেল আহমদ, সংবাদ সিলেটের গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি নজরুল ইসলাম, দৈনিক বিচিত্র সংবাদের গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি সফিক উদ্দিন আহমদ, দৈনিক দেশকালের গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি রফিকুল ইসলাম, জনতার নিউজ ডটকম’র গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি নজমুল ইসলাম, নববার্তা ডটকমের গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি জাকারিয়া মোহাম্মদ, গোলাপগঞ্জ বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বিলাল আহমদ, দেলওয়ার আহমদ, গোলাপগঞ্জ হকি ক্লাবের যুগ্ম আহবায়ক ফয়েজ আহমদ, স্বেচ্ছাসেবক পাঠশালার শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক জাবির আহমদ প্রমুখ।

উল্লেখ্য হাজী আব্দুল মুতলিব কুনু মিয়া গত ১০ জুন শনিবার বাংলাদেশ সময় রাত ১.২০ মিনিটের সময় তিনি গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঢাকাদক্ষিণ রায়গড়স্থ নিজ বাড়ীতে ইন্তেকাল করেন। ইন্নালিল্লাহি — রাজিউন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। তিনি স্ত্রী, ৭ পুত্র, ৬ কন্যা, নাতি-নাতনীসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন।