জঙ্গিবাদ এবং উগ্রবাদকে দলীয় নয় জাতীয় সমস্যা উল্লেখ করে বাংলাদেশ ন্যাপ নেতারা বলেছেন, ‘জঙ্গিবাদ প্রতিহত করতে দলমত নির্বিশেষে জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই।’

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে যাদু মিয়া মিলনায়তনে এক স্মরণ সভায় বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ নেতারা এ কথা বলেন।

‘মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস’ উপলক্ষে এর আয়োজন করে ন্যাপ ঢাকা মহানগর শাখা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দলটির চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি বলেন, ‘আজকের সঙ্কটপূর্ণ রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে স্বাধীনতার চেতনা জাতীয় ঐক্যের আদর্শ ধারণ করে তার ভিত্তিতেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। দোষারোপের রাজনীতির অপসংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘দোষারোপের রাজনীতি দিয়ে জঙ্গিবাদ উগ্রবাদ দমন করা যাবে না। এতে তাদের লালন পালন করা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কিংবা সেনাবাহিনী দিয়েও জঙ্গিবাদ দমন সম্ভব নয়। জঙ্গিবাদ দমনে গণতান্ত্রিক পরিবেশ প্রয়োজন। প্রয়োজন জাতীয় ঐক্য।’

ন্যাপ মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, ‘দেশে জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদ উত্থানের ফলে যে অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে, সেটা বাংলাদেশের জন্য একটি ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি। জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদ রুখতে সরকারের কাছে আমাদের আহ্বান অবিলম্বে দেশের নিবন্ধিত সব রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে জাতীয় সংলাপের আয়োজন করুন।’

তিনি বলেন, ‘দেশে যদি গণতান্ত্রিক অধিকার না থাকে, সমান অধিকার না থাকে, একদলীয় শাসনের বলয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করা হয়, তাহলে সেখানে জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদের উত্থান অবধারিত।’

মহানগর শাখা ন্যাপের আহ্বায়ক সৈয়দ শাহজাহান সাজুর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন যুগ্ম মহাসচিব মো. নুরুল আমান চৌধুরী, সম্পাদক আহসান হাবিব খাজা, মতিয়ারা চৌধুরী মিনু, নগর সদস্য সচিব মো. শহীদুননবী ডাবলু, যুগ্ম আহ্বায়ক আনছার রহমান শিকদার, অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম, যুব ন্যাপ সমন্বয়কারী শামিম আহমেদ পিন্টু, যুগ্ম সমন্বয়কারী জিল্লুর রহমান পলাশ, জাতীয় ছাত্রকেন্দ্রের যুগ্ম সমন্বয়কারী সোলায়মান সোহেল প্রমুখ।