প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, বিএনপির যেসব নেতা-কর্মী আগুন-বোমা অপরাধে যুক্ত, যারা এতে অর্থ বিনিয়োগ করেছে এবং যারা এসব হামলার অনুমোদন দিয়েছে, তাদের শাস্তি পেতেই হবে। সেটা যত দিনই লাগুক না কেন। শুক্রবার রাতে সজীব ওয়াজেদ জয় তার ফেসবুকের ভেরিফায়েড পাতায় দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন।

সজীব ওয়াজেদ বলেন, ‘যেভাবে আমরা ৪০ বছর পর যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আওতায় এনেছি, আমাদের আওয়ামী লীগ সরকার এই আগুন-বোমা নিক্ষেপকারী অপরাধীদের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনবে।’

জয় বলেন, ‘আপনারা সবাই জানেন যে কানাডার একটি আদালত বিএনপিকে সন্ত্রাসী দল হিসেবে অভিহিত করেছে। ২০১৩ ও ২০১৫ সালে বিএনপির আগুন-বোমা সন্ত্রাসের সময় হাসপাতালের একটি বার্ন ইউনিট দেখতে গিয়েছিলাম। সেখানে ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের দেখে আমি আঁতকে উঠেছি। এই ভয়াবহ দৃশ্য ছিল অকল্পনীয়। এই আগুন বোমা রাজনীতি হতে পারে না, এটা ছিল স্পষ্টই সন্ত্রাসবাদ।’

অতীতে রাজনৈতিক সহিংসতায় আওয়ামী লীগের ভূমিকা খতিয়ে দেখার কথা উল্লেখ করে জয় বলেন, ‘সেটা পুলিশ কিংবা সরকারি দলের কর্মীদের সঙ্গে আমাদের কর্মীদের প্রতিরোধের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। বাংলাদেশের ইতিহাসে একমাত্র জামায়াত-বিএনপি এই দুই দলই বেসামরিক জনগণকে লক্ষ্য করে সন্ত্রাস করল।’

সজীব ওয়াজেদ তার স্ট্যাটাসে আরও লেখেন, জামায়াতে ইসলাম এদের সঙ্গে ছিল আলবদর, আলশামস ইত্যাদি বেসামরিক সেনাবাহিনী, যারা আমাদের স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় বেসামরিক নাগরিকদের নির্যাতন এবং হত্যা করেছিল। দ্বিতীয়টি হলো বিএনপি, যারা বিগত নির্বাচনের সময় বাস, ট্রেন ও গাড়িতে আগুন বোমা নিক্ষেপ করেছিল। এখানে কোনো সন্দেহই নেই যে, বিএনপি ও জামায়াত একে অপরের সঙ্গী। যখনই কেউ বেসামরিক নাগরিকদের ওপরে হামলা চালায়, তখন সে সংগঠন রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে দাবি করার অধিকার হারায়। সুতরাং উভয়ই সন্ত্রাসী সংগঠন।