গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) সাংসদ মনজুরুল ইসলাম লিটন হত্যা মামলায় জাতীয় পার্টির (জাপা) কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক সাংসদ কর্নেল (অব.) আবদুল কাদের খানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার দিকে বগুড়া শহরের রহমান নগরের বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বগুড়ার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, কাদের খানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কোন মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা গাইবান্ধার পুলিশ বলতে পারবে।
ওই গ্রেপ্তার অভিযানে অংশ নেওয়া গাইবান্ধা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মাহবুবুল বলেন, লিটন হত্যা মামলায় কাদের খানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একজন এএসপির নেতৃত্বে তাঁর বাসায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

কাদের খানকে গ্রেপ্তার অভিযানে অংশ নেয় গাইবান্ধা ও বগুড়ার থানা ও গোয়েন্দা পুলিশ।
বিভিন্ন সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার থেকে পুলিশ ও গোয়েন্দারা কাদের খানের বগুড়ার ওই বাড়িটি ঘিরে রাখে। বৃহস্পতিবার আবদুল কাদের খানের গাড়িচালক আবদুল হান্নান, তাঁর সুন্দরগঞ্জের বাসার তত্ত্বাবধায়ক শামিম হোসেন এবং দুজন কর্মীকেও আটক করে গাইবান্ধা পুলিশ। জব্দ করা হয় কাদের খানের মুঠোফোনটি।

কাদের খান জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের সাবেক সাংসদ। ২০০৮ সালের নির্বাচনে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করেছিলেন তিনি।

এর আগে গতকাল সোমবার ঢাকার আশুলিয়ায় শিল্প পুলিশ ১-এ নারী কনস্টেবলদের প্রথম ওরিয়েন্টেশন কোর্সের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক বলেন, সাংসদ লিটন হত্যার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের পুলিশ চিহ্নিত করেছে। শিগগিরই তাদের গ্রেপ্তার করে গণমাধ্যমের সামনে হাজির করা হবে। আইজিপির ওই বক্তব্যের পর আজ আবদুল কাদের খানকে গ্রেপ্তার করা হলো।