চলতি বছরও কৃষি, হোটেল ও পর্যটন খাতে মৌসুমি কাজের জন্য সিজনাল ভিসায় বাংলাদেশিদের ইতালি যাওয়া হচ্ছে না। গত চার বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও বাংলাদেশকে কালো তালিকায় ফেলেছে ইতালি সরকার।

এ বছর এই ভিসায় মোট ১৭ হাজার শ্রমিক নেবে ইতালি।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই ভিসায় ইতালি গিয়ে বেশ কিছু বাংলাদেশি নিয়মের ব্যতিক্রম করার অভিযোগে বাংলাদেশকে বাদ দিয়েছে দেশটির সরকার। মূলত সিজনাল ভিসার নামে ইউরোপে পাড়ি জমাতো বাংলাদেশি অনেকেই। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর থেকেই ইতালি সরকার বন্ধ করে দিয়েছে বাংলাদেশি কোটা।

রোমে বাংলাদেশ দূতাবাস এই সমস্যা সমাধানে একাধিক বার কূটনৈতিক আলোচনা সত্বেও গত কয়েক বছরে এর কোনো সমাধান হয়নি। ফলে প্রতি বছর ইতালিতে সিজনাল ভিসায় কাজের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন কয়েক হাজার বাংলাদেশি।

২০১৭ সালের সিজনাল ভিসায় আগতদের জন্য নতুন আইন হচ্ছে ইতালিতে। নতুন আইনে যে সব শ্রমিক ২০১৬ সালে ইতালিতে প্রবেশ করে নিজ দেশে ফেরত যায়নি তারা আর আগের মালিকের অধীনে কাজ করতে পারবেন না। পাশাপাশি গত বছর ছয় মাসের চুক্তি শেষে যারা নিজ দেশে ফেরত যাননি, তাদের ব্যাখ্যা দিতে হবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও শ্রম মন্ত্রণালয়কে।

ইতালিতে অর্থনৈতিক মন্দা চলাকালে সরকার কেন বাইরে থেকে শ্রমিক আনার ঘোষণা দিয়েছে তা নিয়েও চলছে জোর সমালোচনা।

সিজনাল ভিসায় একজন শ্রমিক কৃষি, হোটেল ও পর্যটন খাতে ছয় মাস ইতালিতে বৈধভাবে কাজ করতে পারেন। এরপর আইন অনুযায়ী ওই শ্রমিককে নিজ দেশে চলে আসতে হতো। এই নিয়ম পালন করে কোনো শ্রমিক আসা যাওয়ার মধ্যে থাকলে তিনবারের পর পূর্ণাঙ্গ বৈধ হওয়ার সুযোগ পায়।