সমকালের শাহজাদপুর উপজেলা প্রতিনিধি আবদুল হাকিম শিমুলের ময়না তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।

ময়না তদন্তে শিমুলের মাথায় গুলি পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন সিভিল সার্জন ডা. শেখ মনজুর রহমান।

শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে শিমুলের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়।

সিভিল সার্জন ডা. শেখ মনজুর রহমান বলেন, ‘তিন সদস্যের একটি চিকিৎসক দল রাতে ময়না তদন্ত সম্পন্ন করেন। আমি নিজেই ময়না তদন্তের সময় উপস্থিত ছিলাম। এ সময় শিমুলের মাথার ভেতর থেকে একটি গুলি পাওয়া যায়।’

সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আকরামুজ্জামান জানান, ময়না তদন্ত শেষে মরদেহ শাহজাদপুরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

শাহাজাদপুর থানার ওসি রেজাউল হক জানান, শিমুল নিহত হওয়ার ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে তার স্ত্রী নুরুন নাহার বেগম বাদী হয়ে পৌর মেয়রসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে রাতে একটি হত্যা মামলা করেছেন। তবে, নতুন করে কেউই গ্রেফতার হননি।

সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার মিরাজ উদ্দিন জানান, শিমুলের স্ত্রী নিজেই বাদী হয়ে একটি এজাহার জমা দিয়েছেন।

প্রসঙ্গতঃ বৃহস্পতিবার দুপুরে শাহজাদপুর পৌর শহরে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপে সংঘর্ষ হয়। ওই সময় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে শিমুল ডান চোখে ও মাথায় গুলিবিদ্ধ হন। আহত শিমুলকে প্রথমে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। পরে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজে ভর্তির পর ঢাকা নেওয়ার পথে শুক্রবার দুপুরে তিনি মারা যায়। এর আগে সংঘর্ষের ঘটনায় শাহজাদপুর থানা পুলিশ পৌর মেয়র হালিমুল হক মিরুর শর্টগান জব্দ ও তার দুই ভাই পিন্টু ও মিন্টুকে গ্রেফতার করেছে।