মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার অল্প সময়ের ব্যবধানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত সব মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এখনও কাউকে ওই পদে নিয়োগ দেননি তিনি। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ইন্ডিপেন্ডেন্ট পত্রিকার অনলাইনে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, বারাক ওবামার সময়ে নিয়োগ পাওয়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদের ২০ জানুয়ারির মধ্যে অফিস ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

গত ২৩ ডিসেম্বর ট্রাম্পের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিভিন্ন দেশের মার্কিন রাষ্ট্রদূতরা তাদের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করেছেন। তাবে তাদের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ‍কিছুই ঘটবে না।

যাইহোক যুক্তরাষ্ট্রের একটি সাধারণ নিয়ম হলো, নতুন প্রশাসনের দায়িত্বের শুরুতেই রাজনৈতিকভাবে নিয়োগ পাওয়া রাষ্ট্রদূতরা পদত্যাগ করেন। আর তাদের জায়গায় নতুন কাউকে নিয়োগ না দেওয়াটাও খুবই সাধারণ বিষয়।

বহিষ্কার করা রাষ্ট্রদূতদের তালিকায় জার্মানি, যুক্তরাজ্য এবং কানাডার মতো মিত্র দেশের নামও রয়েছে।

শপথ নেওয়ার পর ট্রাম্পের প্রথম বক্তব্যের কয়েক মিনিটের মধ্যে হোয়াইট হাউজের ওয়েবসাইট থেকে আমেরিকার ফার্স্ট পলিসি এবং জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সব তথ্য সরিয়ে ফেলা হয়।

বক্তৃতায় ডোনাল্ড ট্রাম্প মন্ত্রীপরিষদ পর্যায়ের কয়েকটি বিষয়ে ব্যপক সমালোচনা করেন। এমনকি দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল এবং স্টেট ডিপার্টমেন্ট অব ডিফেন্সও তার সমালোচনা এড়াতে পারেনি।

তবে কয়েকজন রাষ্ট্রদূত নিয়োগে ট্রাম্প প্রশাসন দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যার মধ্যে সাউথ ক্যারোলাইনার গভর্নর নিক্কি হেইলেইকে জাতিসংঘে দেশটির রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। ওবামার সময়ে ওই পদে নিয়োগ পেয়েছিলেন সামানতা পাওয়ার। এছাড়া দেওলিয়া বিশেষজ্ঞ আইনজীবী ডেভিড ফ্রাইডম্যানকে ইসরাইলের রাষ্ট্রদূত ও লোয়া গভ টেরি ব্রান্সটাডকে চীনের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।